fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

অক্সফোর্ডের টিকার ট্রায়াল হবে দেশের পাঁচ জায়গায়,‘বড় পরিকল্পনা’ কেন্দ্রের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সব অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে, অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমতি চেয়েছে দেশের প্রথম সারির ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। কোভ্যাক্সিনের পর এবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি ‘করোনা টিকা’রও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করছে ভারত। দেশের পাঁচটি জায়গায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সম্পন্ন করা হবে। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রের বায়োটেকনোলজি বিভাগ। সরকারি সূত্রের খবর, দেশের পাঁচটি বড় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই ভ্যাকসিনটির হিউম্যান ট্রায়ালের প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। এই ট্রায়াল সম্পন্ন করার জন্য বড়সড় পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার।

বায়োটেকনোলজি বিভাগ জানাল, দেশের পাঁচ জায়গায় অবিলম্বেই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হবে। সরকারের তরফে বৃহত্তর কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে। ব্রিটেনে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালে সাফল্যে খবর এসেছে। ভারতে অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় টিকা তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। দেশের তৈরি এই টিকার নাম ‘কোভিশিল্ড’ । সেরাম জানিয়েছে, ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমতি পেলে খুব তাড়াতাড়ি টিকা দেওয়া শুরু হয়ে যাবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। দেশে করোনার টিকার ট্রায়াল ও গবেষণার তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে আছে কেন্দ্রের বায়োটেকনোলজি বিভাগ।

আরও পড়ুন: করোনা আবহে পড়ুয়ারা পড়াশোনা করতে পারছে না, কী করে পরীক্ষা দেবে? প্রধানমন্ত্রীকে বললেন মমতা

আশানুরূপ ফল পেলেই ভ্যাকসিনটি তৈরি করা শুরু করে দেবে বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট। তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য ভারত সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল সেরাম। মঙ্গলবার সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রের বায়োটেকনোলজি বিভাগের সচিব রেণু স্বরূপ জানিয়েছেন,”দেশের পাঁচ জায়গায় শুরু হবে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। মোট হাজার জন স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ভ্যাকসিনটির প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালে ইতিমধ্যেই সাফল্য এসেছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে সাফল্য এলেই এটি তৈরি করা শুরু করবে সেরাম।”

উল্লেখ, সেরাম ইতিমধ্যেই এই ভ্যাকসিন তৈরির চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। কর্ণধার আদর পুনাওয়ালা আগেই জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে নভেম্বরেই ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ ‘করোনা ভ্যাকসিনে’র ডোজ বাজারে চলে আসবে। আদর পুনাওয়ালার ঘোষণা, তাঁর সংস্থা যে ‘ভ্যাকসিন’ তৈরি করবে তার ৫০ শতাংশ ভারতীয় বাজারের জন্য বরাদ্দ থাকবে। বাকি ৫০ শতাংশ বাকি বিশ্বের জন্য।’

Related Articles

Back to top button
Close