fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

২০৫০ সালের মধ্যে ১২০ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার পথে! পূর্বাভাস ইটিআর-এর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী ৩০ বছরের মধ্যে ১২০ কোটি বা তারও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে! এমনই চাঞ্চল্যকর একটি পূর্বাভাস দিয়েছে ইকোলোজিকাল থ্রেট রেজিস্টার (ইটিআর)। এটি সংকলিত করেছে ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) নামের একটি থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক। যেখানে দেখানো হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, খাদ্য ও পানীয় সংকট এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং অন্যান্য উৎসের উপাত্ত ব্যবহার করে আটটি পরিবেশগত হুমকির মূল্যায়নের মাধ্যমে কোন দেশ এবং অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে তার পূর্বাভাসও দিয়েছে ইকোলোজিকাল থ্রেট রেজিস্টার। পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় হাজার কোটিতে পৌঁছাতে পারে। শুধু তাই নয়, সীমিত সম্পদ নিয়ে কাড়াকাড়ি ও জ্বালানি নিয়ে ক্রমবর্ধমান সংঘাতে সাব-সাহারা আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের শোচনীয় অবস্থায় বসবাসরত ১২০ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে শরণার্থী হতে বাধ্য হবেন। যেভাবে, পরিবেশগত নানা কারণ এবং জাতিগত সংঘাতের ফলে ২০১৯ সালে ৩ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। গবেষণায় দেখানো হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ১৯ টি দেশ পরিবেশগত হুমকির মুখে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া ও ইরাকের মতো দেশসমূহের। এর পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে, ২০৪০ সালের মধ্যে ভারত, চিনসহ ৫৯ টি দেশের মানুষ চরম পানীয় জলের সংকটে পড়বে, জনসংখ্যার দিক থেকে যা হবে বিশ্বের অর্ধেকাংশ।

এপ্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) এর প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ কিল্লেলিয়া জানিয়েছেন, “এটি কেবলমাত্র উন্নয়নশীল বিশ্বে নয়, উন্নত দেশগুলিতেও বিশাল সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রভাব ফেলবে। কারণ গণহারে এই বাস্তুচ্যুতি শুরু হলে উন্নয়নশীল দেশের মানুষের ঢল নামবে উন্নত দেশগুলিতে। যা উভয়ের জন্য হয়ে দাঁড়াবে বৃহত্তর এক মানবিক সংকট।”

Related Articles

Back to top button
Close