fbpx
দেশহেডলাইন

রাজস্থানের চম্বল নদীতে নৌকাডুবির জেরে মৃত্যু হল কমপক্ষে ১৪ জনের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:   রাজস্থানের চম্বল নদীতে নৌকাডুবির জেরে মৃত্যু হল কমপক্ষে ১৪ জনের। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের কোটা জেলায়। জানা গেছে, সব যাত্রী বুন্দি জেলায় কমলেশ্বর ধামে যাচ্ছিলেন। মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে নৌকায় সেই সময় ৬০ জন যাত্রী ছিলেন।বুধবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কোটা জেলার খাটোলি এলাকার কাছে। খবর পেয়েই দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। স্থানীয় গ্রামবাসীদের পাশাপাশি তাঁদের সাহায্য করছে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে কোটা জেলার বিখ্যাত মন্দির কমলেশ্বর ধাম -এর দরজা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে তা খোলার সিদ্ধান্ত নেয় মন্দির কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে কোটা জেলার গোঠাডা কালা গ্রামের প্রায় ৬০ জন বাসিন্দা একটি নৌকা করে সেই মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। আচমকা খাটোলি এলাকার কাছে এসে নৌকাটি উলটে যায়। কিছু মানুষ সাঁতার কেটে নদীর পাড়ে উঠতে পারলেও বাকিরা জলে তলিয়ে যেতে থাকেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁদের বাঁচানোর চেষ্টা করার পাশাপাশি প্রশাসনকে খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পুলিশের পাশাপাশি রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরা এসে উদ্ধার কাজে হাত লাগান। এখনও পর্যন্ত ওই নৌকায় থাকা বেশিরভাগ মানুষকে উদ্ধার করার পাশাপাশি ৪ জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও ১০ জনের বেশি। তাদের মধ্যে শিশু ও মহিলারাও রয়েছে।

এপ্রসঙ্গে কোটার জেলা কালেক্টার উজ্জ্বল সিং রাঠোর জানা, বুধবার সকালে ওই নৌকাটি করে গোঠডা কালা গ্রামের কিছু বাসিন্দা চম্বল নদী দিয়ে কমলেশ্বর ধাম দর্শন করতে যাচ্ছিলেন। আচমকা নৌকা উলটে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও গ্রামবাসীরা উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছয় রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। এখনও পর্যন্ত নদী থেকে চার জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

আরও পড়ুন: ভারতীয় সেনার তথ্য পাকিস্তানে পাচার, NIA-এর জালে পাক গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট ইমরান

স্থানীয়রা জানান, এই এলাকায় কোনও সেতু না থাকায় নদী পারাপারের একমাত্র পথ হল নৌকা। তাঁদের অভিযোগ, বেআইনিভাবে বহু নৌকা যাতায়াত করে। অনেক ক্ষেত্রে ক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ ও ভার নিয়ে নদী পার করে নৌকাগুলি। এছাড়া, অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও মোটরসাইকেলের মত দ্বিচাকার বাহনও নৌকায় চাপিয়ে দেওয়া হয় হামেশাই। ফলত, বিপদের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। অতীতে, বেআইনি নৌ-পারাপার নিয়ে একাধিক অভিযোগ প্রশাসনের দরজায় পৌঁছেছে। প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছিল। কিন্তু, কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ায় অবৈধ নৌ-চলাচল ফের রমরমিয়ে শুরু হয়ে যায়।

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close