fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শিলিগুড়িতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ২০ জন, বন্ধ হচ্ছে চম্পাসারি বাজার

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শিলিগুড়িতে আরও ২০ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এতে শহরে করোনা সংক্রমণের নতুন এলাকা ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটের পর বুধবার থেক চম্পাসারি বাজারও ১০ দিনের জন্য বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন।

মহকুমা মাসক সুমন্ত সহায় জানান, ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে এখন পর্যন্ত সব থেকে বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই এলাকা যাতে করোনা সংক্রমণের হটস্পট হয়ে না ওঠে তার জন্য বাজার বন্ধ করার পাশাপাশি গোটা ওয়ার্ডে মাইকিংয়ে সচেতনতা প্রচার করা হবে। এলাকার মানুষের কাছে আবেদন খুব প্রয়োজন ছাড়া যেন কেউ বাড়ির বাইরে না বের হয়। সেই সঙ্গে মাস্ক ব্যবহার সহ প্রয়োচনীয় স্বাস্থবিধি মেনে সকলে চলেন।

এদিকে এদিন যে ২০ জন নতুন আক্রান্ত পাওয়া গিয়েছে তাদের মধ্যে একজন শিলিগুড়ি পুরসভার জলপাইগুড়ি জেলার সংযোজিত এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া টিকিয়াপাড়ায় এদিন সর্বাধিক পাঁচজন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। কিছুদিন আগে এই এলাকার এক ফুচকা বিক্রেতা সংক্রমিত হয়েছিলেন। তার থেকেই এরা সংক্রমিত হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিন শিলিগুড়ি পুরসভার নতুন এলাকা হিসেবে লিচুবাড়ানে ২ জন, ঘোঘোমারি, নবগ্রাম, শ্রবননগর, মহারাজ করোনিতে একজন করে করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে।
এভাবে শহরের বিভিন্ন এলাকায় করোনা ছড়িয়ে পড়ায় প্রশাসন উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে শিলিগুড়ি শহরে করোনা প্রতিরোধের জন্য পদক্ষেপ ঠিক করতে আলোচনায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে প্রশাসন।
বিকালে স্টেট গেস্ট হাউসে মহকুমা মাসক শিলিগুড়ি পুরসভার কমিশনার সোনস ওয়াংদি ভুটিয়ার সঙ্গে বৈঠক করে চম্পাসারি বাজার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এদিকে এতদিন ৪৫, ৪৬,এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই বেশি করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া গিয়েছিল। ত্দের মধ্যে অনেকের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটের সঙ্গে যোগাযোগ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। তাতে করোনা সংক্রমণের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে সোমবার থেকে তার সাত দিনের জন্য ওই বাজার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু এদিন যে রিপোর্ট এসেছে তাতে শিলিগুড়ি শহরে বিভিন্ন এলাকায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান মেলায় সংক্রমণেরর ক্ষেত্র এক জায়গায় সীমাবদ্ধ নেই বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। এক্ষেত্রে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিই একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।

Related Articles

Back to top button
Close