fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফানের জেরে সন্দেশখালিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২০

শ‍্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনা: জলবায়ুর রোগের প্রকোপ বাড়ছে। বসিরহাট মহাকুমার সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের গাজীখালী গ্রামে ডায়রিয়া প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষ করে এখনো বহুগ্রাম নোনা জল ঢুকে রয়েছে, একদিকে যেমন মাছ, সাপ, গবাদি পশু জঙ্গলের পাখি বিষাক্ত পোকা মরে জলের দূষণ বাড়ছে। অন্যদিকে পেটের সমস্যা দেখা দিয়েছে সুন্দরবনের অসহায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। তাদের কে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে সন্দেশখালি ১নম্বর ব্লক ও ২ নম্বর ব্লকে যারা এখনো জলবন্দী রয়েছে তাদেরকে জলের পাউচ দেওয়া হচ্ছে। পানীয় জলের কল বসানো হয়েছে, এবং যে পানিও জলের কল গুলি অকেজো হয়ে পড়েছিল সেইগুলি দ্রুত সারানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই দুটি ব্লকে মেডিকেল টিম ও স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা চিকিৎসকরা পরিষেবা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখা হয়েছে।

তাছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলবায়ুর প্রকোপ যাতে না বাড়তে পারে, তার জন্য আগাম রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানালেন সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো। আমফানের জেরে যে জলবায়ু রোগের প্রকোপ সুন্দরবন বাসিকে বিপদে ফেলতে পারে,সেই ব্যাপারে আগেই চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল। আর তারই উদাহরণ স্বরূপ গাজীখালী গ্রামে ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও মহিলা পুরুষরা। সন্দেশখালি বিধায়ক সুকুমার মাহাতোর ডায়রিয়ার কথা জানালে তিনি বলেন, তার কাছে কোনো রিপোর্ট নেই । সব মিলিয়ে সন্দেশখালি মানুষকে স্বাভাবিক আনতে দিনরাত পরিশ্রম করছে। একদিকে বিদ্যুৎ কর্মী, অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর্মীরা চিকিৎসক থেকে পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ যারা এখনো জলের মধ্যে বাস করছে, এবং যারা বাড়ি ছেড়ে রাস্তার উপরে ত্রিপল টানিয়ে বসবাস করছে তারা নিজেরাই জানেনা কবে নিজের ভিটেতে ফিরতে পারবে। তারা এখন শুধু দিন গুণছে কবে আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসব। সত্যিই কি তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে? সে দায়িত্ব কে নেবে, সরকার? না ঈশ্বর?

আরও পড়ুন: গণেশ মণ্ডল কে বিধায়ক পদপ্রার্থী হিসাবে চাই কুলতলীবাসী

সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লক ২ নম্বর ব্লকে একশ টি টিউবওয়েল হাজার ফুট পাইপ বসানোর কাজ চলছে যাতে বিশুদ্ধ পানীয় জল পাওয়া যায়। দশটা পানীয় জলের গাড়ি প্রতিদিন ৪০ হাজার বিশুদ্ধ পানীয় জলের পাউচ তৈরি করে, গ্রামে মধ্যে মানুষের দোরে দোরে পৌঁছে দিচ্ছে, গ্রামের মানুষের মধ্যে যাতে কোনরকম জলবায়ুর রোগে আক্রান্ত না হতে হয় তার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সন্দেশখালি ১ ও ২ নম্বর ব্লকে, বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্যকর্মীরা যাচ্ছে, যেন একান্ত মানুষদের কোন রকম অসুবিধা না পড়তে হয়, ও দুটো জায়গায় মেডিকেল ক্যাম্প শিবির করা হয়েছে।

সন্দেশখালিতে আমফান ঝড়ে বিদ্যুৎতের প্রচুর পোস্ট উপরে পড়ে রয়েছে বিদ্যুৎ কর্মীরা দিনরাত্র কাজ করে চলেছে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু করা যায় বেশকিছু গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া গেছে যেটুকু বাকি আছে দুই-একদিনের মধ্যে তা সম্পূর্ণ করা যাবে এমনটা জানা গেল বিদ্যুৎ কর্মীদের কাছ থেকে।

Related Articles

Back to top button
Close