fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

সৌদি বাদশাহ সালমানের তহবিল থেকে উধাও ২৩,৩০০ কোটি ডলার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মহামারী করোনার মাঝে চাঞ্চল্যকর খবর। সৌদি আরব অর্থ কর্তৃপক্ষ বা এসএএমএ’র প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে সৌদি বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় থেকে ২৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার অর্থ কমে গেছে।

যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান ইয়েমেন যুদ্ধ, পশ্চিমা দেশগুলি থেকে ব্যাপক অস্ত্র-সম্ভার ক্রয় এবং এনইওএম নামে পরিচিত ভবিষ্যৎ-নগরীর মতো বিতর্কিত ‘আত্মগর্ব প্রকল্প’ খাতের খরচের যোগান দিতে গিয়ে বিশাল অংকের এ অর্থ নজিরবিহীন ভাবে সৌদি ধনভাণ্ডার থেকে খরচ হয়।

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ৮৪ বছর বয়সী রাজা সালমান সৌদি আরবের সিংহাসনে বসেন। একই বছরে সৌদি বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণ ছিল ৭৩ হাজার দুইশ কোটি ডলার। কিন্তু ২০১৯ সালে একই ভাণ্ডারে রয়েছে মাত্র ৪৯ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ পাঁচ বছরে এ ভাণ্ডার থেকে উধাও হয়ে গেছে ২৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। গড়ে প্রতিবছর এ অর্থ-ভাণ্ডার থেকে ৪ হাজার ৬৬০ কোটি ডলার কমেছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষা ও ছাত্রদের একাধিক দাবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বাম ছাত্র যুবদের

গত পাঁচ বছরে সৌদি বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় থেকে যে পাহাড় পরিমাণ অর্থ হ্রাস পেয়েছে তা এমইএনএ নামে পরিচিত মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপির সমপরিমাণ। পরিমাণের দিক থেকে তিউনিশিয়ার বাৎসরিক বাজেটেরও ১৮ গুণ বেশি এই অর্থ।

এদিকে, বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী সৌদিতে মাথাপিছু আয়ও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০১২ সালে মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ছিল, ২৫ হাজার দুইশ ৪৩ ডলার। কিন্তু ২০১৮ সালে তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৩৩৮ ডলারে।

এরইমাঝে, বর্তমানে তেল-বাজারের বিপর্যয়ের আগেই সৌদি বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় থেকে কমে গেছে ব্যাপক অর্থ। করোনার বিশ্ব মহামারি থেকে সৃষ্ট তেল-বাজারের বিপর্যয় সৌদি আরবের জন্য আরও অনেক বড় আর্থিক দুর্গতি বয়ে আনবে বলে আশংকা করছে আন্তর্জাতিক মহল।

Related Articles

Back to top button
Close