fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাজ্যের সবচেয়ে বিপজ্জনক তিন জেলার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নামছে বিশেষ ৩ নজরদারি টিম

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের করোনার সংখ্যা বাড়তেই কঠিন পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়িয়েছে তিন জেলার। প্রশাসনের হিসেব বলছে, রাজ্যে কলকাতা, হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশী।

কলকাতা, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সংক্রমণের হার বাড়ায় বেড়েছে কনটেনমেন্ট জোন। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওই ৩ জেলাতেই দৈনিক পর্যবেক্ষণে কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে পরিদর্শনে নামছে তৈরি বিশেষ নজরদারি টিম।

এর আগে কলকাতা ও পাশ্ববর্তী এলাকায় করোনা চিকিৎসা খতিয়ে দেখতে বিশেষ ৫ পরিদর্শক দল নামিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এবার করোনা সংক্রমণের গতি বৃদ্ধিতে জেলাভিত্তিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে এই তিন জেলাকে নির্বাচন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই তিন জেলা অর্থাৎ কলকাতা, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কনটেনমেন্ট জোনে নজরদারি, সংক্রমণ ঠেকানোর পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহ করার জন্য। এরপরেই ৪ জন করে কমিউনিটি মেডিসিনের শিক্ষকদের নিয়ে বিশেষ দল তৈরি করে তাদের কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।

কারা কারা থাকছেন এই বিশেষ নজরদারি দলে? জানা গিয়েছে, সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ , ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজ, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের ৪ জন করে চিকিৎসককে নিয়ে এই বিশেষ নজরদারি তিনটি দল তৈরি করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলগুলিতে ওই বিশেষ টিম তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং কিভাবে সেখানে সংক্রমণ আটকানো যায় সেই বিষয়ে প্ল্যান করে স্বাস্থ্য ভবনকে তারা প্রত্যেক দিন জানাবেন। কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে তৈরি এই নজরদারি দল বিশেষ কয়েকটি বিষয়ের ভিত্তিতে সমীক্ষা চালাবে।

সংশ্লিষ্ট জেলার কোথায় কোথায় কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে, সেই কনটেনমেন্ট জোনকে কিভাবে রক্ষা করা হবে, সেখানে কারা কারা আক্রান্ত হতে পারেন, কারা কারা আক্রান্ত হয়েছেন, কিভাবে পরীক্ষা করা উচিত, কতজন আক্রান্ত তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিচার করা হবে।

সেই জেলার কনটেনমেন্ট এলাকায় কি কি করা উচিত এবং কি কি তথ্য রয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রতিদিন সন্ধে ছ’টার মধ্যে স্বাস্থ্য ভবনকে জানাবে ওই দল। সেই অনুযায়ী ওই জেলাতে পরবর্তী পরিকল্পনা ঠিক করবে স্বাস্থ্য দফতর। এই পরিকল্পনা কাজে এলে অন্যান্য জেলাগুলিতে সংক্রমণের গতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হবে বলে সূত্রের খবর।

Related Articles

Back to top button
Close