fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চাঁদা নিয়ে দুই পক্ষের মারপিটে জখম ৩, গ্রেফতার ৬ 

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: চাঁদার অর্থ নিয়ে মারপিটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই পক্ষের ছয় জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা ফাঁড়ির পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ধৃতরা হল ডালিম সেখ, সেখ নুরুল ইসলাম, সলমান মিঞা, সইফুল সেখ, সুরোজ সেখ ও সেখ নাজমুল ইসলাম।

জেলার গুসকরা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তুড়িপাড়া ও বাগান পাড়ায় ধৃতদের বাড়ি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গুসকরা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাগান পাড়াতে কুড়িঘর মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন বসবাস করেন। এখানকার বাসিন্দাদের নিজস্ব কবরস্থান নেই। তাই কবরস্থানের জন্য একটি জায়গা কেনার জন্য তাঁরা পাড়াগত ভাবে চাঁদা তোলা শুরু করেন। বাসিন্দারা জমি কেনার চাঁদার টাকা জমা দিচ্ছিলেন স্থানীয় মুজিবর সেখের কাছে। এলাকার বাসিন্দা ডালিম সেখের বোন তাঁর এবং তাঁর দাদা ডালিম সেখের চাঁদা মুজিবর সেখের বাড়িতে গিয়ে জমাদিয়ে এসেছেন বলে দাবি করেন। কিন্তু ডালিম সেখ চাঁদা দেয়নি বলে পরে মুজিবর সেখ অস্বীকার করেন। তা নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা অশান্তি বাঁধে। মারপিটের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ এলাকায় পৌছে উত্তেজনা সামাল দেয়। তখনকার মত সবকিছু মিটে গেলেও পরে রাতে ফের অশান্তি বাঁধে। অভিযোগ, গুসকরা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জল ট্যাঙ্কিতে কর্মরত ডালিম সেখের ভাই সাবির সেখকে সেখান থেকে বাগানপাড়ায় তুলে নিয়ে গিয়ে মুজিবর সেখের লোকজন মারধোর করে। এই ঘটনা জানার পর ডালিম সেখের লোকজন সেখানে পৌছালে দু’পক্ষের মধ্যে মারপিট বেঁধে যায়। মারপিটের সময়ে বঁটির আঘাতে সাবির সেখের ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুল কেটে পড়েযায়। মারধোরে মুজিবর শেখ ও সাহিদ সেখ নামে দুই ব্যক্তিও আহত হন। তিন জনকেই উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুই পক্ষের ছয় জনকে গ্রেফতার করে।

Related Articles

Back to top button
Close