fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বর্ধমানে তিন রোগী সহ ১২ জনের করোনা পজিটিভ, আইসোলেশনে পাঠানো হল চিকিৎসক ও নার্স সহ ৮ জনকে

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: বন্ধ্যাত্বকরণের অস্ত্রপচার হবার আগেই তিন বধূ সহ ১২ জনের লালারস সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষার জন্য। অস্ত্রপচার সম্পূর্ণ হয়ে তিন বধূ শনিবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে ছুটি পেয়ে নিজের নিজের বাড়ি চলে যাবার পর । রবিবার ওই তিন বধূ সহ ১২ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ার রিপোর্ট আসতেই রীতিমত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা।

দ্রুত চিকিৎসক ও নার্স সহ ৮ জন কে পাঠানো হয় আইসোলেশনে। তার জেরে এখন কার্যত বন্ধের মুখে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র । জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিএমওএইচ চিকিৎসক আনন্দমোহন গড়াই জানিয়েছেন , গত বুধবার ব্লকের ৮ পরিযায়ী শ্রমিক ও এক শিশু সহ ৯ জনের কোভিড পরীক্ষার জন্য লালারস সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি ওইদিনই লালারস সংগ্রহ করা হয় বন্ধ্যাত্বকরণের জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হওয়া তিন বধূর । পরীক্ষার জন্য ওই দিনই ১২ জনের লালারস পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজে । বিএমওএইচ
বলেন , হিসেব মতো পরদিনই রিপোর্ট চলে আসার কথা ছিল ।

কিন্তু রিপোর্ট আসতে কোনও কারণে অনেকটা দেরি হয়ে যায় । তারই মধ্যে গত শুক্রবার বন্ধ্যাত্বকরণের জন্য হাসপাতালে ভর্তি থাকা তিন বধূর অস্ত্রপচার
করা হয়েযায় । হাসপাতাল থেকে শনিবার তাদের ছুটিও দিয়ে দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচার হওয়া ওইতিন রুগী সহ ১২ জনের এদিন করোনা পজিটিভ ধরা পড়ার রিপোর্ট আসতেই হাসপাতালের সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন । বিএমওইচ জানান , হাসপাতালে পরিষেবা চালু রাখার জন্য চিকিৎসক ,নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মী মিলিয়ে ২০ জন রয়েছেন ।তারমধ্যে করোনা আক্রান্তের সংস্পর্সে আসা একজন চিকিসক সহ আটজনকে এদিনই আইসোলেশন পাঠানো হয়েছে ।বাকি হাতে গোনা কয়েকজন চিকিৎসক ,নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীকে নিয়ে কিভাবে হাসপাতালে পরিষেবা চালু রাখা যাবে সেই বিষয়টি নিয়েই বিএমওএইচ এখন দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন ।

এবিষয়ে জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন , আট জনকে আইসোলেশনে যেতে হবার কারণে হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে এমন বিষয়ে বিএমওএইচ এখনও কিছু জানাননি। তবে এবিষয়ে বিএমওএইচ কিছু জানালে তিনি জেলা প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন।হাসপাতালে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে ।

Related Articles

Back to top button
Close