fbpx
কলকাতাহেডলাইন

১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৬৪ জন সংক্রমিত, পুরসভার কপালে ভাঁজ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নতুন কনটেইনমেন্ট জোনে ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে সংক্রমণের আধিক্য দেখা গিয়েছে। সেই মতই  এই ওয়ার্ডে এক লাফে হুহু করে বেড়েছে সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই ওই ওয়ার্ডে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৬৪ জন। এদের মধ্যে সিংহভাগই আবাসন ও বহুতলের বাসিন্দা। পাশাপাশি আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দেখা গিয়েছে। আনন্দপুর এর একটি আবাসন থেকেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ জন। এদের প্রত্যেকেই আনন্দপুর বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মী। প্রসঙ্গত, এই ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডেই খোঁজ মিলেছিল রাজ্যে প্রথম করোনা আক্রান্ত আমলা পুত্রের। আর তাতেই পুরসভার কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
বেশ কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্র সচিব তথা কলকাতার নোডাল অফিসার আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতা অর্থাৎ পাটুলী বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হাসপাতালের আধিক্য। এই মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চা হলেও এখন দেখা যাচ্ছে কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে সংক্রমিত দের মধ্যে অধিকাংশই বহিরাগত। তারা বেশিরভাগই ওই এলাকার বাইপাস সংলগ্ন হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মী। যাদবপুরের ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে সংক্রমিতের তালিকায় মাত্র ৯৪ জন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা থাকলেও বাকিরা সকলেই বহিরাগত। অন্য রোগীরা হয় ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন, নয়তো পেয়িং গেস্ট। এছাড়াও ওয়ার্ডে যে পাঁচজন মারা গিয়েছেন তাঁর মধ্যে দু’জন স্থায়ী বাসিন্দা হলেও বাকি তিনজন বহিরাগত।
দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার ওয়ার্ডে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় কলকাতার নোডাল অফিসার বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে শনিবার মুকুন্দপুর এলাকায় বিশেষ রেপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে ইতিমধ্যেই নতুন করে 9 জনের দেহে সংক্রমনের খবর মিলেছে। তবে কেবল ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডই শুধু নয়। সংক্রমণ ছড়িয়েছে পার্শ্ববতী ওয়ার্ড গুলিতেও। ইতিমধ্যেই ১০১ ওয়ার্ডে ২০৯ জন, ১১০ ওয়ার্ডে ৬৬ জন, ১০০ নম্বরে ১৩৮ জন এদিন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর। তবে যে সমস্ত বাড়িতে আক্রান্ত হাসপাতালকর্মীরা আছেন সেখানে সংক্রমিতদের বাবহার্য সামগ্রী ও বর্জ্য সংগ্রহের জন্য হলুদ রঙের প্যাকেট দেওয়া হচ্ছে, নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Related Articles

Back to top button
Close