fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বালি বোঝাই ৩৬টি গাড়ি আটকে মাফিয়াদের হুমকির মুখে বিএলআরও সহ সরকারি আধিকারিকরা

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল: চালান ছাড়া বালির ট্রাক ও ডাম্পার আটকে বালি মাফিয়াদের হুমকির মুখে পড়তে হল পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের বারাবনির বিএলআরও সহ সরকারি আধিকারিকদের। বৃহস্পতিবার বারাবনি থানার গৌরান্ডির অজয় নদীর রুনাকুড়ঘাট যাওয়ার রাস্তায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। এলাকার একটি পেট্রোলপাম্প থেকে বালি বোঝাই ৩৫টি ট্রাক আটক করা হয়। বালি বোঝাই আরো একটি ডাম্পারও আটক করা হয়েছে। সেই খবর পেয়েই পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডের কয়েকজন বালি মাফিয়া এসে সরকারি আধিকারিকদের আটকে রেখে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়ার দাবি করে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ চলে আসায় মাফিয়ারা পালিয়ে যায়।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বারাবনির গৌরান্ডিতে অজয় নদী রুনাকুড়াঘাট যাওয়ার রাস্তায় একটি পেট্রোলপাম্পে আটক করা হয় বালি বোঝাই ৩৬টি গাড়ি। সেই সময় গাড়ির চালকদের কাছ থেকে  চালান দেখতে চান বারাবনির বিএলআরও উদয় শংকর ভট্টাচার্য্য সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। কিন্তু চালকরা  চালান দেখাতেই নারাজ ছিল। চালকরা বলে,  চালান নিয়ে অন্য কেউ আসছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝাড়খন্ড থেকে একদল মাফিয়া সেখানে আসে। তারা বিএলআরও, এক মহিলা আধিকারিক সহ সবাইকে ঘিরে ফেলে। তারা সরকারি আধিকারিকদের অশ্লীল গালিগালাজ দিতে শুরু করে।  খবর পেয়ে সেখানে কিছুক্ষণের মধ্যেই বারাবনি থানার পুলিশ পৌঁছে যায়।  পুলিশ দেখে বালি মাফিয়ারা এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। গোটা ঘটনার কথা জানিয়ে বিএলআরও গাড়িগুলোকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

[আরও পড়ুন- রানিগঞ্জে স্টোভের আগুনে পুড়ে কিশোরীর মৃত্যু]

বারাবনির বিএলআরও উদয় শংকর ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ৩৬ টা গাড়ির বেশিরভাগই বিহারের ও ঝাড়খণ্ড নম্বরের। একটি গাড়ি নাগাল্যান্ডের নম্বরেরও ছিল। গাড়ির চালকদের   কাছে কোন চালান বা বালির কাগজ ছিল না। সবচেয়ে বড় কথা, এই সময় নদী থেকে বালি তোলাও নিষেধ আছে। গাড়িগুলো সম্ভবত এখান থেকে ঝাড়খন্ড হয়ে বিহারে চলে যেত। আমরা বেশ কয়েকদিন ধরে এই গাড়িগুলো নিয়ে  নির্দিষ্ট অভিযোগ পাচ্ছিলাম। তাই আচমকা সেখানে হানা দিয়েছিলাম। বিএলআরও ছাড়াও এই অভিযানে ছিলেন পার্থসারথি সরখেল, দুই রেভিনিউ অফিসার স্নেহা চট্টোপাধ্যায় ও শেখর মজুমদার।

 

Related Articles

Back to top button
Close