fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পটাশপুরে বিবাহবার্ষিকীতে রক্ত দিলেন ৪০ জন

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : হতেই পারতো নিখাদ বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠান। কিছুটা মাঙ্গলিক এবং আনন্দময়। কিন্তু চব্য চোষ্য করে খেয়ে দিনটি উদযাপনের পথে পা মাড়াননি পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্তী ও তিথি চক্রবর্তী। গতবছরের এই দিনেই বিয়ে হয়েছিল এঁদের। সেদিন আয়োজিত হয়েছিল রক্তদান কর্মসূচি। আর বিবাহবার্ষিকীতেও রক্তদানের আয়োজন। রক্তদাতাদের জন্য স্রেফ চন্দন গাছ ও মুসুম্বি লেবুর গাছ উপহার দেওয়া হোলো। অন্য কোনও উপহার নেই। স্বামী স্ত্রী দুজনে রক্তদাতাদের হাতে তুলে দিলেন গোলাপ। আর এভাবেই বিবাহবার্ষিকীর আনন্দে মাতলেন তাঁরা।

পটাশপুরের নৈপুর গ্রামে এদিন আয়োজিত হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির। সদ্যপ্রয়াত জাতীয় শিক্ষক নির্মল মাইতিকে সম্মান জানিয়ে রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন ভল্যান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক অসীম ধর। উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী ঝর্ণা আচার্য্য, শান্তনু অধিকারী, ফকরুদ্দিন মল্লিক, জগদীশ মাইতি, বিষ্ণুপদ দাস, অসীম প্রধান প্রমুখ।

মেদিনীপুর ছাত্রর সমাজের উদ্যোগে এবং এগরা ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় বিবাহবার্ষিকীতে রক্ত দিলেন ৪০ জন। এই রক্তদান শিবিরকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোড়ন পড়ে। অসীম ধর জানান, এরকম সামাজিক অনুষ্ঠানেও মানুষ যদি এভাবে রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে তবে দেশজুড়ে রক্তসঙ্কট কমবে অনেকটাই। মেদিনীপুর ছাত্র সমাজের সম্পাদক তথা এই রক্তদান শিবিরের আয়োজক কৃষ্ণপ্রসাদ চক্রবর্তী বলেন, আমরা সারা বছর বিভিন্ন সময়ে সংগঠনগত ভাবে রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন করে থাকি। কিন্তু এর পাশাপাশি নিজেদের পরিবারের নানা সামাজিক অনুষ্ঠানের খরচ বাঁচিয়ে রক্তদানের আয়োজন করছি। খুব সাড়া মিলছে এক্ষেত্রে। এদিন ছাত্র সমাজের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাজকুমার বেরা, অনিমেষ প্রামানিক, আগন্তুক ঘোড়াই, বাসুদেব মাকড় প্রমুখ।

Related Articles

Back to top button
Close