fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

একদিনেই সংক্রমিত ৪০ হাজার! দেশে মৃত্যুহার নেমেছে ২.৫ শতাংশেরও নিচে, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের করাল ছোবল। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে দেশে একদিনেই করোনায় সংক্রমিতের সংখ্যা ৪০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৪৬ লক্ষ ৪১ হাজার ৮১৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৬ লক্ষ ৮ হাজার ৯০২ জনের।  গত ২৪ ঘণ্টায় নজির গড়ে দেশে আক্রান্ত ৪০ হাজার ৪২৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬৮১ জনের। এর ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৭ লক্ষ ৮৭ জন আর মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৪৯৭ জনের। এখনও পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৪৫৯ জন। সংক্রমিতের সংখ্যা যত বাড়ছে ততই কমছে সুস্থতার হার।

গত ২৪ ঘন্টায় মহারাষ্ট্র, তামিলনাডু, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ সহ দেশের একাধিক রাজ্যে একদিনে নতুন করে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নয়া রেকর্ড তৈরি হয়েছে। মহারাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। কোনও কিছুতেই উদ্ধব ঠাকরের রাজ্যে মারণ ভাইরাসের বেলাগাম সংক্রমণে রাশ টানা যাচ্ছে না। রবিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৯ হাজার ৫৮১ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ১০ হাজার ৪৫৫ জনে। সংক্রমণের নিরিখে শনিবার ব্রিটেনকে টপকে গিয়েছেন রাজ্য। আর এদিন টপকে গেল স্পেনকে।

দেশে করোনায় মৃতের হার উল্লেখযো্গ্য ভাবে কমছে। দেশবাসীকে স্বস্তি দিয়ে দাবি করল কেন্দ্রীয়  স্বাস্থ্যমন্ত্রক। রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের  দেওয়া তথ‌্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে করোনায় মৃতের হার  শতকরা ২.৪৯ শতাংশ। কোভিড ১৯–এ মৃতের শতকরা হারে সবথেকে কম ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলির মধ্যে বর্তমানে অন্যতম ভারত। জুন মাসে এই হার বেড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। গতমাসে মৃত্যুর হার ছিল ২.৮২ শতাংশ। চলতি মাসের দশ তারিখে তা কমে হয় ২.৭২ শতাংশ। গত সপ্তাহে যা আরও কমে এখন ২.৪৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন: উদ্বেগ বাড়িয়ে করোনার আক্রান্তের সংখ্যা উর্দ্ধমুখী মহারাষ্ট্রে

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে রবিবার জানানো হয়, দেশের ২৯টি রাজ্যও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মৃতের হার জাতীয় হারের থেকেও কম। এর মধ্যে ১৪টিতে মৃতের হার এক শতাংশেরও কম। লাক্ষাদ্বীপে একজনও করোনায় আক্রান্ত হননি। সেখানে আন্দামান-নিকোবর, সিকিম, মিজোরাম, নাগাল‌্যন্ড ও মণিপুরে সামান্য পরিমাণ আক্রান্ত হলেও এখনও কেউ মারা যাননি। লাদাখে একজন, মেঘালয় ও দাদরা-হাভেলি এবং দমন-দিউতে মারা গিয়েছেন দু’জন করে, অরুণাচল প্রদেশে তিনজন ও ত্রিপুরায় মারা গিয়েছেন পাঁচজন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যখন স্বস্তিতে থাকার এই তথ্য দিল, তখনই চিন্তা বাড়াল আইএমএ-র দাবি। তাদের মতে, যেভাবে রোজ দেশে তিরিশ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, তাতে বলা যায় যে, ভারতে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close