fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিদ্যাধরী নদীতে কেঁচো ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫, দশ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

শ্যাম বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনা: বিদ্যাধরী নদীতে কেঁচো ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুরুতর আহত মহিলাসহ পাঁচজন। বসিরহাট মহকুমার খাশবালান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ রানিগাছি ভাঙাপাড়া গ্রামের ঘটনা। জানা গিয়েছে, বিদ্যাধরী নদীতে কেঁচো ধরতে যায় ৫ মহিলাসহ পুরুষ। স্থানীয় এক কেঁচো ব্যবসায়ী সাহেব মোল্লার কাছে বিদ্যাধরী নদী থেকে কেঁচো তোলার জন্য শ্রমিকের কাজ করতেন কয়েকজন আদিবাসী মহিলা সহ কয়েকজন পুরুষ। সাহেব মোল্লা কাছে কাজ করতে অস্বীকার করে ওই আদিবাসী শ্রমিকরা, তারা নিজেরাই নদীতে কেঁচো তুলতে যান।

এদিকে মালিকপক্ষ কাজে যেতেই হবে কোনও কথা শুনব না এমন হুঁশিয়ারি দেন ওই কেঁচো ব্যবসায়ী সাহেব মোল্লা। তখনই ঘটে বিপত্তি, শুরু হয় যায় কথা কাটাকাটি, তারপর চলে হাতাহাতি মারধর। এই ঘটনায় আদিবাসী মহিলা সহ বেশ কয়েকজনের উপরে লোহার রড দিয়ে আঘাত করতে থাকে। ঘটনায় গুরুতর আহত হন পাঁচজন। আহত হন ৫৫ বছরের গীতা মন্ডল, ৫০ বছরের হারানি মন্ডল, ৬০ বছরের সোমবারি মন্ডল, ২৫ বছরের কৃষ্ণ মন্ডল, ৩০ বছরের বিশ্বনাথ মন্ডল সহ পাঁচজন।

আরও পড়ুন: ইমরানের বোকামিতে ফের ভেঙে পড়বে পাকিস্তান

গুরুতর জখম অবস্থায় কয়েকজনকে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে কলকাতার আরজিকর হাসপাতালে স্থানান্তরিত হয়েছে। এই ঘটনায় আহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে সাহেব মোল্লাসহ দশজনের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে হাড়োয়া থানার পুলিশ।
ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে হাড়োয়া থানার পুলিশ। পিছিয়ে পড়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন নদী থেকে কেঁচো তুলে তাদের জীবিকা নির্ভর করে, সেই অসহায় মানুষগুলোর উপরে চরম অত্যাচারের পরে সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছে। গ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ এই কেঁচো জমি চাষের উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে, এই উর্বর জমির ক্ষেত্রে এই চাষ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Related Articles

Back to top button
Close