fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কল্যাণীতে চলছে ১২ ঘন্টার বনধ, আটক ৬ বিজেপি কর্মী

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: নদিয়ার গয়েশপুরে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ। বিজয় শীল নামে এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কল্যাণীতে চলছে ১২ ঘন্টার বনধ। রবিবারই বনধের ডাক দেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কল্যানী শহরে বন্ধের মিশ্র প্রভাব চোখে পড়ে।  রাস্তার ধারে যে সব দোকানপাট রয়েছে সেগুলির অধিকাংশই খোলা। বেলার দিকে বনধ সফল করতে বিজেপির তরফে একটি মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে ৬ কর্মী সমর্থকদের আটক করে কল্যানী থানার পুলিশ। তাঁদের ছাড়াতে কল্যানীতে বিজেপির উচ্চ নেতৃত্বরা থানায় যায়। যদিও যেকোনও রকমের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির এড়াতে মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী থেকে শুরু করে রেফ-কমব্যাট ফোর্স। ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। তাহলে কি গেরুয়া শিবিরের এই বনধ বিফলে গেল? বনধ কি পুরোপুরি ফ্লপ? এখন এই প্রশ্নেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।

আরও পড়ুন: রাজ্যের শাসকদলের অরাজকতা বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানালেন দিলীপ ঘোষ

যে মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজয় শীলের ঝুলন্ত দেহের ছবি দিয়ে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, শমিক ভট্টাচার্য, দিলীপ ঘোষের মত বিজেপির হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীরা। এমনকি মৃত বিজয়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুকুল পুত্র। দেখা করতে গিয়েছিলেন রানাঘাট লোকসভার বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারও। কিন্তু এতকিছুর পরও কেন শিল্প শহরে কোনও প্রভাবই পড়ল না বনধের? শুধু তাই নয়, বনধ সফল করার জন্য সকাল থেকে রাস্তায় দেখা মেলেনি গেরুয়া সমর্থকদেরও।

 

Related Articles

Back to top button
Close