fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় ধৃত ৭

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার সাত। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে।ধৃতরা হলেন রথীন রায়, শ্রীকান্ত মালিক, তথাগত সরকার, হরেকৃষ্ণ রায়, প্রদ্যুৎ তা, দীপক মালিক ও যাদব বাগ। এরা সকলেই খণ্ডঘোষ থানার শঙ্করপুর, কৈয়র, বড় গোপীনাথপুর ও বাদুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

খণ্ডঘোষের বিজেপির ৫ নম্বর মণ্ডলের সভানেত্রী শম্পা মাথুরের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার পুলিশ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।এদিনই ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম রঞ্জনী কাশ্যপ ধৃতদের জামিন নামাঞ্জুর করে বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে মারধরের ঘটনায় বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল দায়ী বলে অভিযোগ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে রেশন বিলি নিয়ে খণ্ডঘোষের  কেন্দুর গ্রামে  উত্তেজনা ছড়ায়। গণ্ডগোল পাকানোর অভিযোগ উঠায় এলাকার তিন বিজেপি কর্মীকে থানায় ডেকে পাঠান পুলিশের সার্কেল ইনসপেক্টর সঞ্জয় কুণ্ডু। খণ্ডঘোষের বিজেপির ৫ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি শম্পা মাথুর ওই তিন জনকে নিয়ে বুধবার বিকালে সার্কেল ‌ইনসপেক্টরের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। সেহারাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে আলোচনা সেরে শম্পা মাথুর তাঁর ছেলের সঙ্গে বাইকে চেপে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন।

বিজেপি নেত্রী শম্পা মাথুরের অভিযোগ, ‘তিনি বাড়ি ফেরার সময়ে অরিন গ্রামের বিজেপি নেতা রথীন রায় দলবল নিয়ে   তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে মারধর করে। তাঁকে ধরে টানা-হ্যাঁচড়া করা হয়। এমনকী তাঁর ছেলের মোবাইল ফোনটিও  কেড়ে নিয়ে জলে ফেলে দেওয়া হয়।’ এমন ঘটনার কথা উল্লেখ করে শম্পা মাথুর বুধবার রাতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

খণ্ডঘোষের বিজেপির একাংশের অভিযোগ মণ্ডল সভাপতির তোলা অভিযোগ সত্য নয়।তাঁরা বলেন, ঘটনার দিন চিন্তামণিপুর গ্রামে ত্রাণ শিবির চলছিল। গ্রামের লোকজনই ত্রাণ বিলি করছিলেন। ওই সময়ে হঠাৎই শম্পা মাথুর সেখানে পৌঁছে গিয়ে ত্রাণ শিবিরে রাজনৈতিক রঙ লাগনোর চেষ্টা করেন। দলেরই কয়েকজন সেই ঘটনার প্রতিবাদ করে। তার জেরেই তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফঁসানো হয়েছে।

দলের আভ্যন্তরীণ এইসব গোলযোগ নিয়ে খণ্ডঘোষ ব্লকের বিজেপির আহ্বায়ক অরূপ ভট্টাচার্য যদিও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

তবে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ এদিন বলেন, ‘বিজেপির লোকজন এখন নিজেদের মধ্যেই মারপিট করছে। লকডাউন চললেও বন্ধ নেই ওদের গোষ্ঠীকোন্দল। আগামীদিনে ওদের আরও অনেক কীর্তি দেখবে রাজ্যের মানুষ।

 

Related Articles

Back to top button
Close