fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

আরও ৭ এলাকা পুনরুদ্ধার আজারবাইজানের, পাল্টা আর্মেনিয়ার

ইয়েরেভান ও বাকু: বিতর্কিত নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলের আরো সাতটি এলাকা থেকে আর্মেনিয়ার সেনাদের হটিয়ে দখলমুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ। টুইটার বার্তায় প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ জানান, আজারবাইজানের সৈন্যরা ‘জিবরাইল’ কাউন্টির ‘মিরাক’ ও ‘কাওদার’ গ্রাম, ‘জাংগিলান’ কাউন্টির ‘মাশহাদি-ইসমাইলি’ ও ‘শাফি-বিকলি’ গ্রাম এবং ‘কাবাদেলি’ কাউন্টির ‘বাশারাত’, ‘কারাকিশলির’ ও ‘কারাচেনলি’ গ্রাম আর্মেনিয়ার নিকট থেকে দখলমুক্ত করেছে।

তবে আজারবাইজানকে প্রতিহত করতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে আর্মেনিয়া। আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র শুশান এস্তাপানিয়ান এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আজারবাইজানের সেনাবাহিনী ভারী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে কয়েক দফা নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলের ‘লাচিন’ কাউন্টির ‘বারদাজুর’ শহরে ঢোকার চেষ্টা করেছে। কিন্তু আর্মেনীয় সেনাদের প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। এই সংঘর্ষে চারটি ড্রোন ভূপাতিত হওয়া ছাড়াও আজারবাইজানের পাঁচটি ট্যাংক ও দু’টি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, লাচিন কাউন্টিতে এখনো সংঘর্ষ চলছে; তবে সেখানকার পরিস্থিতি আর্মেনীয় সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘাত চলে আসছে। নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড বলে স্বীকৃত। কিন্তু আর্মেনিয়া সমর্থিত সন্ত্রাসীরা কয়েক দশক ধরে অঞ্চলটি দখল করে রেখেছে। আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার চলমান সংঘর্ষ বন্ধ করার জন্য রাশিয়ার উদ্যোগে দুইদফা যুদ্ধবিরতি হয়েছে কিন্তু একবারও তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। অবশ্য, এখনো শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close