fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দুর্গাপুর থেকে ২০০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে বসিরহাটে পৌঁছালো ৭ জন শ্রমিক

শ‍্যাম বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনা: বসিরহাট মহাকুমার সুন্দরবনের সন্দেশখালি, নেজাট, কালিনগর, মেটেখালি গ্রামের এই ৭ জন শ্রমিকের বাড়ি। গত সাত মাস আগে দুর্গাপুরে গিয়েছিল রাজমিস্ত্রির কাজের জন্য। জনতা কারফিউ, লকডাউনের জেরে আটকে পরে এসব রাজমিস্ত্রিরা। তাদের অধীনে থাকা ঠিকাদারকে বলা সত্ত্বেও তাদের কোন সুরাহা হয়নি। পাশাপাশি শ্রমিকের পরিবার চিন্তিত ছিল, সুন্দরবন গ্রামের বাড়িতে ফেরাতে ব্যর্থ হয়। বাড়ি আসার জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা না করার ফলে, শ্রমিকরা সিদ্ধান্ত নিয়েনেয় দুর্গাপুর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার পথ, পায়ে হেঁটে বসিরহাটে পৌঁছাতে সময় লাগলো ৩ দিন। ওই শ্রমিকরা বসিরহাটে পৌছয়, সরাসরি বসিরহাট জেলা হাসপাতালে সেখানে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়, থার্মাল গান চেকিং করার হয়। তারপর ন্যাজাট থানার পাশাপাশি জীবাণুমুক্তকরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: রেডজোন বসিরহাটে স্বস্তির খবর, করোনা উপসর্গ ৩৫ জনের নেগেটিভ রিপোর্ট

এই বিষয়ে ন্যাজাট থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিস্তারিত রিপোর্ট দেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। তাদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারান্টিনে থাকার নির্দেশ দেন ন্যাজাট থানার পুলিশ।এবং তাদের প্রতিদিন যেমন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে, তেমনি খাদ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। বসিরহাট জেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর, রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সমীক রায় অধিকারী তাদের বাড়ি যাওয়ার সবরকম ব্যবস্থা করেন। বসিরহাট জেলা হাসপাতাল থেকে একটি ইঞ্জিনভ‍্যানে করে এই ৭ জন শ্রমিককে ন্যাজাট থানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এই গাড়িটা পেয়ে রীতিমতো খুশি শ্রমিকরা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার শ্রমিক পরিবারের লোকজন তাদের বাড়ির ছেলেদের সঙ্গে টেলিফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করলে। তারা অসুবিধার কথা জানান। শেষ পর্যন্ত সুন্দরবনের মেটেখালি তে শ্রমিকরা বাড়ি ফেরায় খুশি তাদের পরিবারও।

Related Articles

Back to top button
Close