fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

চিনকে চাপে ফেলে তিব্বতকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি দিতে বিল পেশ মার্কিন কংগ্রেসে

নিউইয়র্ক,  (সংবাদ সংস্থা) : চিনকে চাপে ফেলে তিব্বতকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি দিতে বিল পেশ মার্কিন কংগ্রেসে। বিল পাশ হলে তিব্বতকে স্বাধীন দেশ হিসাবে ঘোষণা করতে পারবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কংগ্রেসের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন বিদেশে স্বেচ্ছানির্বাসিত তিব্বতি সম্প্রদায়ের মানুষরা।

তাঁদের মত, এটা একটা দারুণ পদক্ষেপ। তিব্বত ও পূর্ব তুর্কস্তানকে স্বীকৃতি দেবার জন্য চিনের কাছে এর থেকে বড় হুঁশিয়ারি আর হয় না। তবে শুধু মাত্র  তিব্বতের  স্বায়ত্তশাসিত এলাকা নয়, গোটা তিব্বতকেই এই বিলের অন্তর্ভুক্ত করা হোক। খাম এবং আমদো যুক্ত হয়ে স্বাধীন, পৃথক তিব্বত গঠিত হোক।

করোনা ভাইরাসের উৎসস্থল চিনের ল্যাবরেটরি। চিনের কারণেই গোটা বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণ মহামারীর আকার ধারণ করেছে। এই অভিযোগে ইতিমধ্যেই চিনের উপর চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করেছে আমেরিকা। তার আগে উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও তাইওয়ান-হংকং নিয়ে টানপোড়েনের বিষয়ে চিনের উপর চাপ সৃষ্টি করতে কুশলী পদক্ষেপ নিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এখনও জারি রয়েছে বাণিজ্য যুদ্ধ। তার মধ্যেই নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে তিব্বতকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি দেওয়ার বিল পেশ হল মার্কিন কংগ্রেসে। বিল পেশ করেছেন পেনসিলভানিয়ার রিপাবলিকান মার্কিন কংগ্রেস সদস‌্য স্কট পেরি।

কিছুদিন আগেই হংকং-কে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দিতে এই একই ধরনের একটি বিল পেশ করেছিলেন তিনি। দু’টি বিলই মার্কিন সংসদের বৈদেশিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পাশ হয়ে বিল দু’টি যাবে মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং সেনেটে। সেখানে পাশ হবার পর তা যাবে প্রেসিডেন্টের কাছে। তিনি স্বাক্ষর করলেই বিলটি চূড়ান্ত হিসাবে গ্রহণ করা হবে। আর তা হলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তিব্বতকে স্বাধীন দেশ হিসাবে ঘোষণা করতে পারবে।

তিব্বত নিয়ে ভারত-চিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ঠাণ্ডা যুদ্ধ চলছে। কারণ চিন তিব্বতকে নিজের অধিকারে রাখতে চায়। এদিকে দলাই লামা ভারতে বসে নির্বাচিত তিব্বতি সরকার পরিচালনা করে চলেছেন। দলাই লামাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য ভারতের বিরুদ্ধে বরাবর ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে চিন। বিগত কয়েক দিনে আবার চিন-ভারত সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই দেশই লাদাখ সীমান্তে সেনা মোতায়েন করতে শুরু করেছে। এই আবহেই আমেরিকার এই পদক্ষেপ চিনকে যথেষ্ট চাপে ফেলে দিল বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনীতি বিশেষজ্ঞরা।

Related Articles

Back to top button
Close