fbpx
দেশহেডলাইন

জমি ছাড়তে নারাজ, দম্পতির ওপর অকথ্য অত্যাচার পুলিশের, মধ্যপ্রদেশে চাঞ্চল্য

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও যথেষ্ট ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি দম্পতিকে পুলিশ বেধড়ক মারধর করছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তারা সরকারি জমি অধিগ্রহণ করে রেখেছেন। বারবার জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললেও তাঁরা সেই কোথায় কর্ণপাত করেনি। এদিকে তাদের উৎখাত করতে গিয়ে দলিত দম্পতির উপর ‘অকথ্য’ অত্যাচার পুলিশের। সামনেই রয়েছে তাদের তিন শিশু। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের গুণায়।

&

;

পুলিশের মার খেয়েও শেষপর্যন্ত হাল ছাড়েনি দম্পতি। জমির ফসল ছেড়ে দেওয়ার থেকে মরে যাওয়াটাই শ্রেয় মনে করেছেন তাঁরা। তাই পুলিশের সামনেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই দলিত দম্পতি। উল্লেখ্য, গুণা শহরের ওই এলাকায় বহু বছর ধরেই বাস করেন রামকুমার আহিরওয়ার এবং তাঁর স্ত্রী সাবিত্রী আহিরওয়ার। কিন্তু যে জমিতে তাঁরা বাস করতেন সেটি ছিল সরকারি জমি।

২০১৮ সাল থেকেই ২০ বিঘা প্লটটিতে সরকারি মডেল কলেজ তৈরির কাজ চলছে। প্রশাসন আগেই রামকুমারকে তাঁর পরিবার নিয়ে ওই এলাকা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু তাঁরা তাঁদের শেষ সম্বল ছেড়ে যেতে চাননি। ওই সরকারি জমিতে চাষবাস করেই তাঁদের পেট চলতো। তিন সন্তান নিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই বলতেও ওই সরকারি জমির কুড়েঘরটিই। তাই মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের জমি থেকে উৎখাত করতে এলে বাধা দেয় ওই দম্পতি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বাধা দিতে গেলে রামকুমার এবং সাবিত্রী দেবীকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশ। মারের চোটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ওই দম্পতি। পাশেই তাঁদের তিন সন্তান এই দৃশ্য দেখছিল। ভয়ে কাঁটা হয়ে যায় তাঁরা। পুলিশের অত্যাচারের মুখে বাধ্য হয়ে ওই দলিত দম্পতি বিষপান করে। প্রথমে হাসপাতালেও যেতে চাইছিলেন না তাঁরা। পরে পুলিশই তাঁদের জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।আপাতত তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল।

এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাহুল গান্ধী বলেছেন, “আমাদের লড়াইটা এই মানসিকতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধেই।”

Related Articles

Back to top button
Close