fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুনের অভিযোগ এক চিকিৎসক

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন হলেন এক চিকিৎসক। অভিযোগের  তীর মৃতের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। মৃতের নাম সুজয় হালদার(৩৩)। ঘটনাটি ঘটেছে, নদীয়ার চাকদা থানার বিষ্ণুপুর এলাকায়। সূত্রের খবর, সুজয় হালদার পেশায় চিকিৎসক সুজয় হালদারের মহারাষ্ট্রে চেম্বার ছিল। লকডাউনের কারণে চাকদার বিষ্ণুপুরের নেউলিয়া বাড়িতে চলে আসেন সুজয়। বাড়িতে এলেও সুজয় থাকতেন বিষ্ণুপুরের শ্বশুরবাড়িতে। বুধবার রাতে নিজের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে খুন হন সুজয়। গলায় ক্ষুর চালিয়ে খুন করা হয় ওই চিকিৎসককে বলে অভিযোগ।

এই বিষয়ে মৃতের দাদা বিজয় হালদার বলেন, “ভাই মহারাষ্ট্রে থাকতেন।  আমার বৌমা শিখা দাস হালদার আমাদের বাড়িতে থাকতেন না।  বাপের বাড়িতেই থাকতেন। সেই সুবাদে ছুটিতে বাড়িতে এলেও সুজয় চলে যেতেন শ্বশুরবাড়িতে। বুধবার আমাদের বাড়িতে দেখা করতে এসেছিলেন আমার ভাই। সেই সময় বৌমা বারবার সুজয়কে ফোন করতে থাকে। বৌমার ফোন পেয়ে শ্বশুরবাড়ির দিকে রওনা দেন ভাই। সেই সময় কেউ তাকে গলায় ক্ষুর চালিয়ে খুন করে।”

[আরও পড়ুন- শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে ছাত্রস্বার্থে কুড়ি হাজার টাকা অনুদান এক শিক্ষকের]

বিজয় অভিযোগ করে বলেন যে, বৌমা শিখা অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই নিয়ে ভাই ও বৌমার মধ্যে পারিবারিক অশান্তি লেগেই থাকত। সেই কারণেই খুন হতে হয়েছে আমার ভাইকে। শিখার বিরুদ্ধে চাকদা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানান মৃতের দাদা।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত শিখার বাবা বলেন,” সুজয়ের সঙ্গে ৬ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল মেয়ের। কোনো সন্তান হয়নি। জামাই বাড়ি এলে আমাদের বাড়িতেই থাকত। বুধবার রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়েছিলেন সুজয়। বাড়ি ফেরার পথেই কে বা কারা জামাইকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ক্ষুর চালায়। চাকদা হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই মারা যায় জামাই সুজয়।” এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। চাকদা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close