fbpx
দেশবিজ্ঞান-প্রযুক্তিহেডলাইন

‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার ডাকে উদ্বুদ্ধ হয়ে মেসেজিং অ্যাপ বানাল ভারতীয় সেনা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-চিন সংঘাতের আবহে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর প্রধানমন্ত্রীর এই ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এ উদ্বুদ্ধ হয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মতো একটি মেসেজিং অ্যাপ বানিয়ে ফেলল ভারতীয় সেনা। জানা গিয়েছে, নিজেদের ব্যবহারের জন্যই ভারতীয় সেনা এই ইন-হাউজ অ্যাপটি তৈরি করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে সিকিওর অ্যাপলিকেশন ফর ইন্টারনেট (Secure Application for Internet), সংক্ষেপে SAI।

যদিও ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, শুধুই কি আত্মনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে ভারতীয় সেনার এই পরিশ্রম? মেসেজিং অ্যাপের নামেই পরিষ্কার, এটি অনেক বেশি সুরক্ষিত বা নিরাপদ। আন্তর্জালে তথ্যচুরির ভয় নেই। অতীতে একাধিক অ্যাপের বিরুদ্ধে তথ্যচুরি, তথ্যপাচারের মতো অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় সেনাকে একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করতে নিষেধও করা হয়েছে। সেদিক থেকে SAI নামে নিজস্ব এই অ্যাপটি সেনার জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।

                             আরও পড়ুন: সাতসকালে ফের ভূমিকম্পে কাঁপল লাদাখ

ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, রাজস্থানের সিগন্যাল ইউনিটের কম্যান্ডিং অফিসার কর্নেল সাই শংকর এই অ্যাপটি তৈরি করেছেন। এই মেসেজিং অ্যাপটির উদ্বোধন করে বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, এটি এন্ড-টু-এন্ড সিকিওর মেসেজিং অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভয়েজ, টেক্সটের পাশাপাশি ভিডিয়ো কল করা যাবে।

                        আরও পড়ুন: সংক্রমণ ঠেকাতে আতশবাজি বন্ধে নিষেধাজ্ঞা রাজ্যে

এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, সাই (SAI) আমআদমির জন্য নয়। ভারতীয় সেনার নিজস্ব ব্যবহারের জন্যই এই অ্যাপটি বানানো। সেনার শ্রেণিবদ্ধ তথ্য যাতে ফাঁস না হয়, অ্যাপ বানানোর সময় নিরাপত্তার সেই বিশেষ দিকটিতেই জোর দেওয়া হয়েছে। এটি সেনা বাহিনীকর আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ‘এই অ্যাপের মডেলটি বাণিজ্যিক ভাবে উপলব্ধ মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন WhatsApp, Telegram, SAMVAD এবং GIMS-এর মতই এবং এতে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। SAI স্থানীয় ইন-হাউস সার্ভার এবং কোডিং-এর সঙ্গে সিকিওরিটি ফিচারের দিক দিয়ে এগিয়ে আছে, যা প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ভালো করা যাবে।’ CERT-এর অডিটর এবং আর্মি সাইবার গ্রুপ এই অ্যাপটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটসে এই অ্যাপটির নথিভুক্তকরণের কাজ চলছে।

Related Articles

Back to top button
Close