fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

ধেয়ে আসছে কয়েক দশকের সবথেকে শক্তিশালী টাইফুন, সরানো হল ৭০ লক্ষ মানুষকে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকৃতির রোষ যেন কিছুতেই থামতে চাইছে না। করোনা অতিমারীর জেরে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। তার মাঝে দাবানল, ঘূর্ণিঝড় এর চোখ রাঙানি।  এবার ভয়াবহ টাইফুনের অপেক্ষায় জাপান।

বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, কয়েক দশকের মধ্যে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন। যার জন্য জাপানে ৭০ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশদেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই অনেকেই মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এই টাইফুনের প্রভাবে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ভারি বৃষ্টিপাত। বইতে শুরু করেছে প্রবল বায়ু। গত এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় টাইফুনটির তীব্রতা বেড়ে রোববারও প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাস, ভারি বৃষ্টিপাত, উঁচু ঢেউ, জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছানোর আগে জাপানের পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু অতিক্রম করবে বলে সতর্কবার্তায় জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর জাপানিজ মেটারেওলজিক্যাল এজেন্সি।

সকালের দিকে টাইফুন হাইশেন ওকিনাওয়ায় এবং পরে আমামি অঞ্চলের কাছাকাছি এগিয়ে যাওয়ার সময় ভয়ংকর রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন জাপানের আবহাওয়া সংস্থার এক কর্মকর্তা।

ঝড়ের আশঙ্কায় জাপানের পশ্চিমাঞ্চলীয় সব কলকারখানা, স্কুল এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ রাখা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে বহু ফ্লাইট এবং বন্ধ করা হয়েছে ট্রেন চলাচলও।

জাপানের মন্ত্রিসভা জরুরি বৈঠকেও বসছে। দেশটির আবহাওয়া দফতর ঝড়ের প্রভাবে রেকর্ড বৃষ্টি এবং উঁচু ঢেউয়ের আশঙ্কায় লোকজনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

এর হাওয়ার শক্তি ঘন্টা প্রতি থাকছে ১৮০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আশঙ্কায় জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা, বিদ্যালয় এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ।

ইতিমধ্যেই দেশে বিমান পরিষেবা ও ট্রেন বন্ধ। হাইসেনের হামলায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি এবং উপকূল এলাকায় সামুদ্রিক বন্যার আশঙ্কা প্রবল।

Related Articles

Back to top button
Close