fbpx
অন্যান্যপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পরিবেশ গবেষণা সংস্থা টিয়ার বায়োফ্লোক মৎস্য চাষ

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : বায়োফ্লোক মৎস্য চাষ। এখন অন্যতম আলোচিত পদ্ধতি। সেই বায়োফ্লোক মৎস্য চাষের এক বিজ্ঞান ভিত্তিক পরিকল্পনা ও প্রকল্প সূচনা করেছে পরিবেশ গবেষনা সংস্থা ‘ট্রপিক‍্যাল ইনস্টিটিউট অফ আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ’ তথা ‘টিয়া’। এঁদের পরিকল্পনা ও পরামর্শে জীবিকার স্বনির্ভরতা ও স্থায়ী অর্থনৈতিক ব‍্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ।

কি এই ‘বায়োফ্লোক মৎস্য চাষ’? মূলতঃ বাড়ির উঠানে অথবা ছাদে দশ বর্গফুট জায়গা জুড়ে এই প্রকল্পটি গড়ে তোলা যায়। যেকোনো ব্যক্তি বাড়িতে থেকে এই ধরনের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আবার অবসরকালীন সময় কাটানোর জন্য এই ধরনের প্রকল্প এখন আদর্শ। অধ্যাপক ড. প্রনব সাহু বলেন, এটি অত্যন্ত ন্যুনতম ব্যায়ে় অধিক লাভজনক একটি প্রকল্প। এই প্রকল্প সারা বছর ধরে স্থায়ীভাবে অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে যুক্ত হতে পারবে।

এক একটি ফার্মের প্রাথমিক খরচ প্রায় ৪০ হাজার টাকা। বছরে তিন বার মাছ সংগ্রহ করা যাবে। টিয়ার কর্মকর্তারা জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশি কই, মাগুর, সিঙ্গী, তেলাপিয়া, সরপুঁটি, ভেটকি, গুলশা টেংরা, পাবদার মতো মাছ চাষ করা যাবে। সংস্থার পক্ষ থেকে পরামর্শদাতা ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিয়ার সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রণব সাহু, অধ্যাপক সুপ্রকাশ দাস এবং শরৎ চ্যাটার্জী। এটি আরও বেশি সংখ্যক মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিলে অর্থনৈতিক ভাবে বহু মানুষ উপকৃত হবে।

বাছুরডোবা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী ও অধ্যাপক সূপ্রকাশ দাসের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং ‘টিয়ার’-র ব্যবস্থাপনায় বাড়ির উঠানে ও ছাদে ২ টি বায়োফ্লোক মৎস্য চাষের কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। প্রায় আড়াই হাজার কই মাছ প্রতি ট্যাংকে প্রতিপালনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। চার মাস বাদে প্রায় দুই কুইন্ট‍্যাল প্রতি ট্যাঙ্ক থেকে মাছ সংগ্রহ করা যাবে আশা করা যায়। যা অত্যন্ত লাভজনক।

Related Articles

Back to top button
Close