fbpx
অন্যান্যঅফবিটদেশহেডলাইন

কোথায় পাওয়া যায় পশু হত্যার অনুমতি !

সুজয় অধিকারী: কেরলে গর্ভবতী হাতি হত্যায় ক্ষোভে ফেটে পড়ছে সোশ্যাল মিডিয়া। এদিকে নিন্দায় পঞ্চমুখ পশু প্রেমিরাও। কিন্তু হাতি হত্যার ঘটনাকে যখন খতিয়ে দেখা হল, তখন প্রকাশ্যে এলো; কেরলের চাষের জমিতে ফলের ভিতরে বারুদ ভর্তি করে যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়। আর তা করা হয় বুনো শুকোর হত্যা করার জন্য। তাহলে কেরলে ফল কি শুধু বুনো শুকর খায়? অন্য কোনো পশুরা খায় না! আর যদি বুনো শুকর মারতেই হয় বা তাদের হাত থেকে রক্ষা পেতেই হয় তাহলে তার দায়িত্ব বনদপ্তরের। সাধারণ মানুষের হাতে পশুহত্যার ক্ষমতা কে তুলে দিল! কোথা থেকে পেল তারা ফলের ভেতর বারুদ রেখে পশু হত্যা করার অনুমতি!

 

 

তাহলে কি কেরলের মানুষদের বনদপ্তরের কর্মীদের উপর থেকে ভরসা উঠে গেছে!
এই প্রথম নয়, এর আগেও অনেকবার অনেক পদ্ধতিতে পশু হত্যা ঘটনা সামনে উঠে এসেছে। এমনকি কেরালার ঘটনাও উঠে এসেছে। সেখানে জনসমক্ষে কুকুর হত্যা করা হয়েছিল। হ্যাঁ এসব ঘটনা যথেষ্ট অমানবিকতা পরিচয় দেয়। কিন্তু কুকুর হোক বা হাতি সব পশুদের তাদের স্বাভাবিক জীবনে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। যদি এই ঘটনা কোন মন্দির মসজিদ তীর্থস্থানে ধর্মের নামে হত, তাহলে তাকে বলির নাম করে চালিয়ে দেওয়া যেত। কিন্তু যেহেতু কোন ধর্মীয় কারণ জড়িয়ে নেই, তাই এই ঘটনাটি হত্যার তকমা পেয়েছে।

 

 

হাতি হত্যার পর ময়না তদন্তে জানা গেছে যে হাতিটি ছমাসের গর্ভবতী ছিল। কিন্তু ধর্মের নামে যে সব পশুদের বলি দেওয়া হয় তাদেরকে কোনো রকম পোস্টমর্টেমে ব্যবস্থা থাকে? নাকি আগে থেকে চেকআপ করিয়ে নেওয়া হয় যে তারা গর্ভবতী নাকি গর্ভবতী নয়!

 

 

সম্প্রতি কেরলের গর্ভবতী হাতির হত্যাকান্ডে তিনজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সঙ্গে পশু হত্যা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার জন্য কঠোর আইনী নির্দেশিকা জারি করলে হয়তো ভবিষ্যতে এমন অমানবিক ঘটনা গণমাধ্যমের সামনে আর উঠে আসবে না। আর যদি বলা হয় ঘটনাকে রাজনৈতিক তকমা দেওয়া হচ্ছে! তাহলে এ প্রসঙ্গে বলা যায়; একদল এমনই থাকে যারা যে কোনো ঘটনাকে রাজনৈতিক তকমা দেওয়ার জন্য সব সময় কোন না কোন অজুহাত খুঁজে নেয়। সে করোনায় মৃত ব্যক্তি হোক বা কেরলের গভবতী হাতির মৃত্যুর ঘটনা।

Related Articles

Back to top button
Close