fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফরাক্কাতে ভাঙনের জেরে গৃহহীন পরিবার, এলাকা পরিদর্শনে গেলেন রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধি দল

কৌশিক অধিকারী, ফরাক্কা: এ আতঙ্ক গঙ্গা ভাঙন। চোখের সামনে ভেঙে ফেলা হচ্ছে ঘর। চোখের জলে হারাতে হচ্ছে ভিটে মাটি। ফরাক্কা ভাঙন পিছু ছাড়ে না এখনও। ফরাক্কা ব্লকের কুলিদিয়ার চরে, নতুন করে ভাঙনের কবলে আরও জমি সহ মাটির ভিটে তলীয়ে গিয়েছে নদী গর্ভে। দফায় দফায় ভাঙন অব্যাহত কুলিদিয়ার চরে। বুধবার ভাঙন পরিদর্শন বিজেপি প্রতিনিধি দলের।

গঙ্গার নদীর জল স্তর বেড়ে যাওয়ার ফলে নতুন করে ভাঙনের কবলে পরে হোসেনপুর, কুলিদিয়ার চর এলাকার জমি সহ মাটির ভিটে। জলস্তর বেড়ে যাওয়ার ফলে প্লাবিত হয় কুলিদিয়ার চর গ্রামের একাংশ। জল ঢুকে যাওয়ার ফলে মাথায় হাত গ্রামের বাসিন্দাদের। বুধবার ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন গেলেন রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধি দল।

হোসেনপুর, কুলিদিয়ার, পার সুজাপুর, ও চক বাহাদুরপুর পরিদর্শন করা হয় জলপথে। বিজেপির মালদহ উত্তর সাংসদ খগেন মুর্মু, বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায়, বিধায়ক স্বাধীন সরকার ও মালদহ জেলা সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল এবং ফরাক্কা ব্লক সভাপতি অয়ন ঘোষ ফরাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেন। এদিকে ফরাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন ভাঙন কবলিত স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন:স্বাধীনতা: এক আত্মত্যাগের সরণি

একদিকে করোনা ভাইরাস জেরে লক ডাউন চলছে সাপ্তাহিক ভাবে, অন্যদিকে লক ডাউন জেরে কর্মহীন বহু মানুষ। আর তার মধ্যেই নতুন আতঙ্ক এখন গঙ্গা ভাঙনের কবলে ভিটে ছাড়া বহু পরিবার। কয়েক দিন ধরে নতুন করে এই গঙ্গা ভাঙন ফলে গৃহহীন অবস্থায় বহু পরিবার দিন কাটাচ্ছেন খোলা আকাশের নিচে।

বিজেপি সাংসদ সহ চার সদস্য এক প্রতিনিধি দল ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন, কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। ভাঙনের পরে কি রকম ভাবে বর্তমানে দিন গুজরান করছেন তাও কথা বলেন তারা।
অন্যদিকে এলাকার বাসিন্দারা জানান, এই ভাঙনের কবলে পড়ে প্রায় প্রতিবছরই গৃহহীন হন বহু পরিবার। বর্ষার সময় এই গঙ্গার ভাঙনের প্রবনতা চরম রূপ নেয়। প্রায় দফায় দফায় গত এক সপ্তাহে ধরে ভাঙন অব্যাহত। ভাঙন শুধু নয় গঙ্গার পার ভেঙে জল ঢুকে গ্রামের একাংশ প্লাবিত হয়ে যায়। ভাঙন ঠিক মতো না হওয়ার জেরে আমরা আজকে ফরাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ কে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান হয়।

বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু জানান, একদিকে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব এটা রক্ষনা বেক্ষন করা। আমরা বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের সাথে কথা বলব। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই সমস্যা সমাধান জন্য রাজ্য সরকার কে এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোন পরিকল্পনা করা হয়নি, মুখ্যমন্ত্রী কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে এই ভাঙন রোধের জন্য। আজকে ভাঙন কবলিত এলাকা সরেজমিনে দেখলাম আমরা সবাই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close