fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বাংলা জুড়ে সোমবার থেকে শুরু হল তিনদিনের ট্রাক ধর্মঘট

মিল্টন পাল, মালদা: বাংলা জুড়ে সোমবার থেকে শুরু হল তিনদিনের ট্রাক ধর্মঘট। যার ফলে বাজারে বাড়তে পারে নিত্য প্রয়োজনীয় আনাজের দাম। কারন বাংলায় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের আইন লাগু করছে না রাজ্য সরকার। আর যার ফলে সমস্যায় পরেছে পণ্য পরিবহনকারী ট্রাকের মালিকেরা। অন্য রাজ্যের ট্রাক বাংলার থেকেও ২৫ শতাংশ বেশি পণ্য নিয়ে এই রাজ্য দিয়ে অন্য রাজ্যে যাচ্ছে। রাজ্য সরকারের এই নীতির প্রতিবাদে  ফেডারেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রাক অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন ধর্মঘট ৭২ ঘন্টা ধরে চলবে। পুজোর মুখে পণ্যবাহী ট্রাক ধর্মঘটের জেরে বাজারে যথেষ্ট প্রভাব পড়বে। ইতিমধ্যেই সকাল থেকে মালদা জেলার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে লরি।

জানা গিয়েছে, তিন দিনের এই ট্রাক ধর্মঘটের জেরে রাজ্যজুড়ে প্রভাব পড়বে বাজারগুলিতে। একদিকে করোনা আবহে বিপর্যস্ত অর্থনীতি, অন্যদিকে পুজোর মুখে ট্রাক ধর্মঘট যার ফলে সাধারণ মানুষের পকেট টান পড়বে বলে মনে করছে সাধারন মানুষ। কারণ ইতিমধ্যেই বাজারে সবজি থেকে ডিম সমস্ত কিছুর মূল্য আকাশ ছোঁয়া। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন চাষের জমিতে জল জমে যাওয়ার কারণে ক্ষতির শিকার হয়েছে চাষিরা। তার ওপর পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের আইন লাগু করা হচ্ছে না। যার ফলে বেশি সংখ্যক পণ্য পরিবহন করতে পারছেনা বাংলার পণ্যবাহী ট্রাকগুলি। ফলে ক্ষতির শিকার হচ্ছে ট্রাক মালিকরা। অথচ দেখা যাচ্ছে অন্য রাজ্যগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের আইন লাগু করে ২৫ শতাংশ বেশি পণ্য পরিবহন করছে। ফলে এ রাজ্যের ট্রাক মালিকদের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক পরিস্থিতিতে রয়েছে। তাই তারা বাধ্য হয়েছেন তিনদিনের ট্রাক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। ট্রাক মালিক সুমন্ত সিংহ বলেন, আমরা এই রাজ্যের পরিবহন আইন মেনে পণ্য পরিবহন করে থাকি।

[আরও পড়ুন- টাকি রোডে ট্রাক দাঁড় করিয়ে, রাস্তা অবরোধ ট্রাক মালিকদের]

নেতাজি পৌরবাজারে বাজার করতে আসা এক ক্রেতা মৌমিতা সাহা বলেন, এমনিতেই এবছর এই সময়ে সবজি থেকে সমস্ত জিনিসের অগ্নিমূল্যও চলছে। যা সাধারণ মানুষের কাছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে। তার ওপর ট্রাক ধর্মঘট চলছে। করোনা আবহের ফলে বাজারে সমস্ত জিনিসের দাম অগ্নিমূল্য হয়ে উঠবে। এই বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

 

মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু বলেন, পুজোর মুখে তিনদিনের ট্রাক ধর্মঘট সাধারণ ব্যবসায়ীদের পক্ষে অনেক ক্ষতিকর। অন্যদিকে বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাবে। যদিও এই নিয়ে আমরা বাজার কমিটিগুলোকে নিয়ে আলোচনা করেছি, যাতে কোনো মতেই জিনিসপত্রের দাম বেশি না নেওয়া হয়। তবে ট্রাক মালিকদের দাবী ন্যায্য।

 

Related Articles

Back to top button
Close