fbpx
দেশহেডলাইন

সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের জন্য আরোগ্য সেতু অ্যাপ বাধ্যতামূলক, ঘোষণা কেন্দ্রর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউন উঠে গেলেও আমাদের সামাজিক দূরত্ব মেনেই চলতে হবে। পাশের মানুষটি করোনায় আক্রান্ত নন তো? খোঁজ রাখতে হবে প্রতিনিয়ত। সেই কারণেই মোবাইলে এবার আরোগ্য সেতু অ্যাপটিকে বাধ্যতামূলক করার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্র। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য লকডাউনেও কি কর্মক্ষেত্রে যেতে হচ্ছে? অথবা বাড়িতে থেকে করতে হচ্ছে অফিসের যাবতীয় কাজ? তাহলে অবশ্যই ডাউনলোড করে ফেলুন আরোগ্য সেতু অ্যাপটি। কারণ এবার সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের জন্য এই অ্যাপটি বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র।

শুক্রবারই দেশজুড়ে আরও দু’সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে লকডাউনের সময়সীমা। ১৭ মে পর্যন্ত করোনা মোকাবিলায় চলবে লডকাউন। তবে শর্তসাপেক্ষে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে গ্রিন জোনে। যদিও কড়া নজরদারি চলবে রেড জোনের আওতায় থাকা জেলা এবং সংক্রমক এলাকাগুলির উপর। সোমবার থেকে বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি অফিস খোলারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৩৩ শতাংশ কর্মী নিয়ে চলবে অফিস। বাকিদের কাজ করতে হবে বাড়ি থেকে। আর লকডাউনের তৃতীয় পর্ব ঘোষণার পরই জানিয়ে দেওয়া হল, প্রত্যেক সরকারি ও বেসরকারি কর্মীর স্মার্টফোনে আরোগ্য সেতু অ্যাপটি বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয়, সংক্রমক এলাকায় বসবাসকারীদেরও এই অ্যাপ ডাউনলোডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নিম্ন মানের খাদ্য সামগ্রী ও কম রেশন দেওয়ার অভিযোগে উত্তাল মুর্শিদাবাদ

গত মাসেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে শোনা যায় আরোগ্য সেতু অ্যাপের কথা। সমস্ত দেশবাসীকে অ্যাপটি ডাউনলোড করার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কনট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে এই অ্যাপ বলে দিচ্ছে আপনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রয়েছেন কি না। সম্প্রতি কোনও আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছেন কি না। করোনার উপসর্গ কী, কীভাবে সংক্রমণ থেকে নিজেকে দূরে রাখবেন- ইত্যাদি নানা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে কেন্দ্রের তৈরি এই অ্যাপে। যাতে উপকৃত হচ্ছেন বহু দেশবাসী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক সরকারি এবং বেসরকারি কর্মীর জন্য আরোগ্য সেতু অ্যাপটি বাধ্যতামূলক করা হবে। সেই কোম্পানিকেই নিশ্চিত করতে হবে যে ১০০ শতাংশ কর্মীই অ্যাপটি নিজেদের ফোনে রেখেছেন কি না।’ এর পাশাপাশি সংক্রমক এলাকার বাসিন্দারা অ্যাপটি ব্যবহার করছেন কি না, তা দেখার দায়িত্ব নিতে হবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকেই।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close