fbpx
দেশহেডলাইন

এফসিআইয়ের গুদাম ঘরে প্রায় ৮১২ লক্ষ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে, জানাল সরকারের নোডাল এজেন্সি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে সমস্ত কাজ বন্ধ। ফলে সাধারণ মানুষের হাতে নেই কোনও টাকাও। কিন্তু এই মুহূর্তে সাধারণ মানুষের যাতে খাবারের সমস্যা না হয় তার জন্য বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছে। ভারতের ফুড কর্পোরেশনের (‌এফসিআই)‌ কাছে বর্তমানে মজুত খাদ্যশস্য রয়েছে ৮১১.‌৬৯ লক্ষ টন, যা খাদ্য আইন ও অন্য কল্যাণমূলক প্রকল্পের আওতায় প্রতিশ্রুতি মেটাতে যথেষ্ট। এফসিআই হল খাদ্য সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য সরকারের নোডাল এজেন্সি।

সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‌১১ জুনের এফসিআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী তাদের কাছে বর্তমানে ২৭০.‌৮৯ লক্ষ টন চাল ও ৫৪০.‌৮০ লক্ষ টন গম রয়েছে। তার মানে মোট ৮১১.‌৬৯ লক্ষ টন খাদ্যশস্য রয়েছে তাদের কাছে (‌গম এবং ধানের চলমান ক্রয় বাদ দিয়ে, যা এখনও গোডাউনে পৌঁছায় নি)‌। জানা গিয়েছে, জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন (‌এনএফএসএ)‌ ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক প্রকল্পের প্রত্যেক মাসে প্রয়োজন প্রায় ৫৫ লক্ষ টন খাদ্যশস্য। ১১ জুনের মধ্যে মোট ৩৭৬.‌৫৮ লক্ষ টন গম ও ৭৩৪.‌৫৮ লক্ষ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: করোনার জের, সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা অভিভাবকদের

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‌সরকার এই প্রকল্পের আওতায় খাদ্যশস্যের জন্য প্রায় ৩,১০৯ কোটি টাকা এবং ডালের জন্য ২৮০ কোটি টাকা আর্থিক চাপ বহন করছে।’‌ প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনার অন্তর্গত এপ্রিল থেকে জুন এই তিনমাস মোট ১০৪.‌৩ লক্ষ টন ধান ও ১৫.‌২ লক্ষ টন গমের প্রয়োজন রয়েছে এবং এর মধ্যে ৯৪.৭১ লক্ষ টন চাল এবং ১৪.২০ লক্ষ টন গম বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দ্বারা তোলা হয়ে গিয়েছে।

এপ্রিলে ৩৭ লক্ষ টন (৯২ শতাংশ) খাদ্যশস্য ৭৪ কোটি সুবিধাভোগীদের বিতরণ করা হয়েছে, অন্যদিকে মে মাসে মোট ৩৫.৮২ লক্ষ টন (৯০ শতাংশ) খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে ৭১.৬৪ কোটি সুবিধাভোগীর মধ্যে এবং জুনে ৯.৩৪ লক্ষ টন (২৩ শতাংশ) খাদ্যশস্য ১৮.‌৬৮ কোটি সুবিধাভোগীর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের অন্তর্গত সরকার শতকরা ৪৬,০০০ কোটি টাকার আর্থিক চাপ বহন করছে।

Related Articles

Back to top button
Close