fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

UGC ও CSC বিধি অনুসারে দ্রুত সমস্ত কলেজের শূন্যপদ গুলিতে অধ্যাপক নিয়োগের দাবি জানাল ABVP

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: সরকার ইউজিসি-র নিয়মানুযায়ী কলেজে পড়ানোর যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তাদের দলের অনুগামী ব্যক্তিকে নিয়োগ করছে।  এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ এবিভিপির। রবিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে সংবাদ মাধ্যমে একথা জানাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। ইউজিসি ও সিএসসি বিধি মেনে দ্রুততার সঙ্গে সমস্ত কলেজের শূন্যপদ অধ্যাপক নিয়োগের দাবি জানাল এবিভিপি। বিবৃতি প্রকাশ করে এবিভিপি জানায়, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে ইউজিসি ও সিএসসি-র নিয়ম-নীতিকে সঠিকভাবে না মেনে বা যথাযথ যোগ্যতার মাফকাঠির বিচার না করে বিগত কয়েক বছর ধরে রাজ্য সরকার কলেজগুলিতে প্রায় ১৪ হাজারের অধিক আংশিক অধ্যাপক নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগ সংক্রান্ত গলদ থাকার কারণে রাজ্য সরকার তা নিয়ে প্রথমে বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও পরবর্তী সময়ে সরকার ঘুরপথে এসএসিটি-দের ২ ক্যাটাগরিতে ভাগ করে নিয়োগ করছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে সরকার ইউজিসি-র নিয়মানুযায়ী কলেজে পড়ানোর যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তাদের দলের অনুগামী ব্যক্তিকে নিয়োগ করছে। এরফলে একাধারে প্রকৃত উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিতরা যেমন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে তেমনি অপরধারে কলেজে কলেজে ছদ্ম শিক্ষিত তৃণমূলী বুদ্ধিজীবী তৈরি করে কলেজগুলিকে আগামী দিনে রাজনৈতিক আখড়ায় পরিণত করার উদ্দেশ্য ও ভোট বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে বর্তমান শাসকদল।

শিক্ষার মতো পবিত্র ক্ষেত্রে যে ঘৃণ্য রাজনীতি বাম সরকার প্রবেশ করিয়েছিল বর্তমান সরকার সেই পথকে আরও সুদৃঢ় করেছে। ফলশ্রুতি হিসেবে কলেজের ছাত্রছাত্রীরা যথাযথ শিক্ষায় শিক্ষিত না হওয়ার ফলে তাদের সার্বিক বিকাশ হচ্ছে না। কলেজের শিক্ষার আগ্রহ হারিয়ে তারা গৃহ শিক্ষকের প্রতি বেশি নির্ভরশীল হচ্ছে। এককথায় পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার মান ক্রমশ নিম্নগামী হয়ে চলেছে।

এবিভিপি রাজ্য সম্পাদক সুরঞ্জন সরকার বলেন, এমতাবস্থায় বিদ্যার্থী পরিষদ স্পষ্ট জানাচ্ছে যে, ‘এসএসিটি-এর মাধ্যমে যে অস্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া রাজ্যে সরকার করছে সেটা খুবই হতাশজনক। তাই অবিলম্বে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, প্রকৃত উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিতদেরকে শূন্যপদ গুলিতে ইউজিসি ও সিএসসি বিধি মেনে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ করতে হবে। সেই সঙ্গে যেসকল অতিথি অধ্যাপক দীর্ঘ সময়ব্যাপী আংশিক সময়ের অধ্যাপনার কাজ করে এসেছেন তাঁদের ক্ষেত্রেও সঠিক মূল্যয়নের মাপকাঠির ভিত্তিতে ও স্থায়িকরণের উপর নজর দিয়ে কলেজগুলোতে পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা দ্রুত করতে হবে।’

Related Articles

Back to top button
Close