fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি কমানোর দাবিতে অভিভাবকদের পাশে এবিভিপি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের করোনা পরিস্থিতিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফি হ্রাস করতে হবে। দাবি জানাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। শনিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে তারা এ কথা জানায়। এতদিন ধরে বেসরকারি স্কুলের অভিভাবকরা ফি কমানোর দাবি জানাচ্ছিল স্কুলগুলির কাছে। এবার সেই দাবিতেই অভিভবকদের পাশে দাঁড়াল এভিবিপি।

এবিভিপির পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস ঠেকাতে গত ১৬ ই মার্চ থেকে লাগাতার বন্ধ রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সংক্রমণের হার যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কবে সফলভাবে পুনরায় চালু হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এমতাবস্থায় বিদ্যার্থী পরিষদ একটি দায়িত্ববান সংগঠন হিসেবে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে ইতিপূর্বেই শিক্ষাক্ষেত্রে সমস্ত রকম ফি মুকুব, হোস্টেল ফি মুকুব, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি হ্রাস সহ মোট ১২ দফা দাবী নিয়ে এ দক্ষিণবঙ্গ (পশ্চিমবঙ্গ) রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে মাননীয় রাজ্যপাল মহোদয় এর হাতে স্মারকলিপি প্রদান এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে মেইল মারফত প্রতিলিপি পাঠিয়ে আমাদের দাবীগুলো জানানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোকে ফি হ্রাস করার জন্য আবেদন করলেও বাস্তবে তা সব জায়গায় সঠিকভাবে রুপায়িত হয়নি। বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভিভাবকরা এখনও অভিযোগ করছেন যে, অনলাইন পেমেন্টের লিঙ্ক বন্ধ থাকার কারণে ফি জমা দিতে পারেননি অথচ উল্টে তাদের কাছ থেকেই লেট ফাইন নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ থাকা সত্ত্বেও টিউশন ফি, ইলেকট্রিক বিল, জেনারেটর, ডেভলপমেন্ট, এসি চার্জ এমনকি ক্লিনিং চার্জ পর্যন্ত ধার্য করছে। ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসও করেনি অথচ সমস্ত বাড়তি খরচ চড়াহারে ছাত্রছাত্রীদের থেকে আদায় করা হচ্ছে। ঠিক এইসব কারণেই অভিভাবকরা আজ কখনো ধর্মতলায় তো কখনো আনোয়ার শাহ রোড অবরোধ করছেন। আবার কোথাও বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপালকে আটকে রেখেও প্রতিবাদ করছেন। চিত্রটা যে শুধু কলকাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ তা নয়। গোটা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের মধ্যে আন্দোলন চলছে।’

এই প্রসঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ রাজ্য সম্পাদক সুরঞ্জন সরকার বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সেই প্রতিষ্ঠানে পাঠরত ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক উভয় পক্ষকেই এই করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে নমনীয় হতে হবে। করোনার কামোড়ে অনেক অভিভাবকদের উপার্জনে একটা আঘাত নেমে এসেছে। সেক্ষেত্রে যে ছাত্রছাত্রীর পরিবার মাসিক বেতন দিতে পারবে না, তাদের কথা কর্তৃপক্ষকে বিবেচনা করতে হবে। ঠিক একই ভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের মাসিক বেতন নিয়ে সমস্যায় পরতে না হয় সেটাও কর্তৃপক্ষকে দেখতে হবে।এবং সেই সাথে রাজ্য সরকারকেও একটা সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।’

Related Articles

Back to top button
Close