fbpx
কলকাতাহেডলাইন

আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী আগস্ট থেকে রেশনের পরিমাণ জানতে স্লাইডে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ রাজ্য সরকারের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:  ২০২১ পর্যন্ত সরকার বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেও কোন কার্ডে কতটা রেশন মিলবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে বিপুল বিভ্রান্তি। এতদিন পর্যন্ত কার্ডপিছু ৫ কেজি করে চাল দেওয়া হলেও চলতি মাস থেকে ২ কেজি চাল ও ৩ কেজি গম দেওয়ার কথা সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব কার্ডে আবার ডাল মিলছে না। তাই সাধারণ মানুষের বিভ্রান্তি কাটাতে নয়া ব্যবস্থা গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। এবার রেশন কার্ড অনুযায়ী গ্রাহকরা মাসিক কত পরিমাণ এবং কী কী খাদ্য সামগ্রী রেশন থেকে পাবেন, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করল খাদ্য দফতর।

ইতিমধ্যেই আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী ডিজিটাল রেশন কার্ড সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করা হয়েছিল। যদি এখনও অনেকের ডিজিটাল রেশন কার্ড তৈরি হয়নি। সে ক্ষেত্রে বিলি হওয়া কার্ডের মাধ্যমে বরাদ্দ রেশনের সামগ্রিক চিত্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা ও ইংরেজিতে এই ধরনের ১৯টি স্লাইড তৈরি করেছে রাজ্যের খাদ্য দফতর। রাজ্যজুড়ে তা ব্যাপক ভাবে প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

খাদ্য দফতর সূত্রের দাবি, রেশন নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নানা অভিযোগ উঠেছে। বহু ক্ষেত্রেই অভিযোগ পাওয়ার পরে ব্যবস্থা নিয়েছে দফতর। তারপরেই সাধারণ মানুষকে তাদের রেশন সংক্রান্ত নিজস্ব অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতেই এই ধরণের উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। খাদ্য দফতর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও এই প্রচার চালানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই মতোই ফেসবুক-ট্যুইটার পেজ থেকে চলছে প্রচার।

আরও পড়ুন: অপু ট্রিলজিতে সাজবে দক্ষিণের তিন পুজো

খাদ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজ্যবাসীর চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত রেশন তাদের কাছে মজুত রয়েছে। কিন্তু বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে কিছু অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। কেউ চাইলে মাসের শেষ দিকে গিয়ে নিজের রেশন একবারে তুলতে পারবেন। ফলে মাসের প্রথমে ধাক্কাধাক্কি করার প্রয়োজন নেই। রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, “স্পেশাল কুপন হোক বা ডিজিটাল রেশন কার্ডের গ্রাহক, প্রত্যেকের জন্যে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। বিভিন্ন গোডাউন থেকে যথাসময়ে খাদ্য সামগ্রী প্রত্যেক জায়গায় পৌছেও যাচ্ছে। কোথাও কোনও ধরণের অসুবিধা নেই।” রেশন ব্যবস্থা নিয়ে খুশি রেশন ডিলার অ্যাসোসিয়েশনও। তাঁদের সংগঠনের বক্তব্য, সরকার আলাদা করে সমস্ত তথ্য বা গ্রাহকদের প্রাপ্য স্লাইডের মাধ্যমে দেখানোয় প্রত্যেকেই বুঝে যাচ্ছেন। ফলে তাদের আর আলাদা করে বোঝাতে হচ্ছে না। এর ফলে সমস্যা অনেকটাই কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে রেশনে কারচুপির পরিমাণও।

Related Articles

Back to top button
Close