fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশবিনোদনহেডলাইন

মাদক মামলায় জেরা দীপিকাকে, এনসিবি-র দফতরে অভিনেত্রী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মাদক কাণ্ডে হাজিরা দিতে মুম্বইয়ে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি)‌ দফতরে দীপিকা পাড়ুকোন। শনিবারই হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। দীপিকাকে মুম্বইয়ের কোলাবা অ্যাপালো বন্দরের এভলিন গেস্ট হাউসে জেরা করা হচ্ছে। এদিন সকালে সেখানে পৌঁছে যান তিনি। একই সঙ্গে এদিন হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। NCB দফতরে হাজিরার কথা সারা আলি খান এবং শ্রদ্ধা কাপুরেরও।তবে একমাত্র দীপিকাকেই অ্যাপলো বান্ডার গেস্ট হাউসে ডাকা হয়েছে এবং বাকি দুই অভিনেত্রীকে এনসিবির অফিস ব্যালার্ড এস্টেটে তলব করা হয়েছে।

তার আগে দীপিকা  নিয়ে নতুন গুজবও ছড়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। হঠাৎ শোনা যায়, রণবীর সিং  স্ত্রীর জেরায় থাকতে চান। তিনি নাকি বলেছেন, দীপিকা অ্যাংজায়েটির রোগী, তাই তাঁকে একা জেরায় বসতে দিতে চান না। এনসিবি অবশ্য খবরটা উড়িয়ে দেয়। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রণবীর বা দীপিকা এরকম কোনও আবেদন করেননি। সূত্রের খবর, এনসিবি দফতরের কাছে একটি পাঁচতারা হোটেলেই রয়েছেন রণবীর।

শোনা যাচ্ছে, দীপিকা আর করিশ্মাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করবে এনসিবি। বলিউড আর মাদকের সম্পর্ক যে কতটা গভীর, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর তদন্তে তা ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। শুক্রবার পরপর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হতে থাকে এনসিবির দফতর থেকে। অভিনেত্রী রকুলপ্রীত সিং  স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁর বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত মাদকের মালকিন রিয়া চক্রবর্তী। রিয়ার সঙ্গে তাঁর নিয়মিত মাদক সংক্রান্ত কথা হত বলেও স্বীকার করেছেন। তিনি আরও জানান, রিয়া মাদক কিনে রকুলের বাড়িতে রাখতেন। তবে রকুল নিজে কখনও মাদকসেবন করেননি। এদিন প্রায় চার ঘণ্টা রকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এনসিবি। তার আগে বৃহস্পতিবার অভিনেত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদক বাজেয়াপ্ত করেছিল তারা। রকুলের বয়ান খতিয়ে দেখে আদালতে পেশ করা হবে।

আরও পড়ুন: ‘৭০ বছরে সন্ত্রাসবাদ পাকিস্তানের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়’, রাষ্ট্রসংঘে বিস্ফোরণ ভারতের

নারকোটিক্স ব্যুরো জানিয়ে দেয় বিতর্কিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের অ্যাডমিন আর কেউ নন, দীপিকা পাড়ুকোন। তিনিই ওই মাদক গ্রুপ তৈরি করে নানা সদস্যকে যোগ করেছিলেন। দীপিকা ও সুশান্তের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহা গ্রুপের আরেক অ্যাডমিন। দীপিকার ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশ ছিলেন গ্রুপের অন্যতম সদস্য। এই গ্রুপ চ্যাটেই করিশ্মার কাছে হ্যাশ চেয়েছিলেন দীপিকা। এটা পরিষ্কার, দীপিকার তৈরি এই গ্রুপের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল মাদক জোগানের কাজটা সহজ করা।

সুশান্তের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহাকে পরপর তিনদিন জেরা করেছে এনসিবি। এদিকে, জয়া নাকি নানা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট এনসিবিকে দেখিয়ে মাদক সরবরাহের পদ্ধতি খোলসা করেছেন। জয়ার দাবি, তারকাদের মাদক জোগানোর কাজটা করতেন করিশ্মা। তাঁর এবং দীপিকার মাদকযোগ কত গভীর, দীপিকার জেরার পরে আরও স্পষ্ট হবে।

Related Articles

Back to top button
Close