fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন সেন্টারে আসন পর্যাপ্ত, দাবি নদিয়া জেলা শাসকের

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর: অবশেষে নানা টালবাহানার পর, ভীন রাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকেরা ঘরে ফিরছে। কেউ আসছে ট্রেনে, কেউবা ট্রাকে অনেকেই আবার মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটেও ফিরছে। এদের প্রত্যেককেই থানাগত ভাবে প্রাধান্য দিয়ে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গুলিতে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে নদীয়া জেলায় শয্যা সংখ্যা যথেষ্ট বলে দাবি করেছেন, নদিয়া জেলা শাসক বিভূ গোয়েল। করোনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার পর থেকেই জেলায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ও আইসোলেশন সেন্টার তৈরিতে জোড় দেওয়া হয়। প্রশাসন সুত্রে খবর, এই মুহূর্তে জেলায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার সংখ্যা ১৭ এবং শয্যা আছে ৮৮০ টি। সেখানে বর্তমানে ভর্তি আছে ২৬০ জন। জেলার আইসোলেশন সেন্টার ৯ টি এবং সেখানে শয্যা সংখ্যা ৩৩৮ এবং বর্তমানে ভর্তি আছে ৯৩ জন। ফলে এখন ও পর্যন্ত পর্যাপ্ত সংখ্যক সিট ফাঁকা আছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, পুড়ে ছাই সাইকেল-মোটর সাইকেল

জেলা শাসক বিভূ গোয়েলের দাবি, আমাদের কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন সেন্টারে এখনও পর্যন্ত যে পরিমাণে সিট ফাঁকা আছে, তাতে পরিস্থিতি মোকাবেলার ক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারন নেই। গত শুক্রবার পায়ে হেঁটে হায়দ্রাবাদ থেকে মুর্শিদাবাদ ফেরার পথে ৯ জন পরিযায়ী শ্রমিককে শান্তিপুর থানায় পুলিশ আটক করে, ফুলিয়া কিষান বাজারের কোয়ারান্টিন সেন্টারে রাখা হয়েছে এদেরকে। মহারাষ্ট্র থেকে একদল পরিযায়ী শ্রমিক লড়িতে করে ফিরেছে। ৭৫ জন শ্রমিক ছিল এই দলে। এদের মধ্যে অধিকাংশই নদিয়া সহ পার্শ্ববর্তী জেলা মুর্শিদাবাদ ও বর্ধমান জেলার বাসিন্দা। ৩৪ নং জাতীয় সড়কে শান্তিপুর থানার পুলিশ এক ই ভাবে আটক করে এদের। এদের মধ্যে শান্তিপুর থানা এলাকার ৪৬ জন পরিযায়ী শ্রমিককে নিকটবর্তী ফুলিয়ার কোয়ারান্টিন সেন্টারে পাঠানো হয়, বাকিদের সংশ্লিষ্ট এলাকার থানা ভিত্তিক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার সমূহে পাঠানো হয়েছে। ক্রমশ পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরৎ আসার সংখ্যা বাড়ছে, ফলে হোম কোয়ারেন্টাইন কেয়ারের উপর ও জোড় দিতে চলেছে নদিয়া জেলা প্রশাসন।

Related Articles

Back to top button
Close