fbpx
কলকাতাহেডলাইন

পুলিশের ব্যর্থতায় পশ্চিমবঙ্গে বাড়ছে আলকায়দা উদ্বেগ: অধীর

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: বাংলায় পুলিশ নিষ্ক্রিয়তার আড়ালে বেড়ে উঠছে আলকায়দার মত জঙ্গি সংগঠনের কার্য কলাপ। তোপ দাগলেন আধির চৌধুরী। শনিবার এক সাক্ষাৎকারে মুর্শিদাবাদ তথা বাংলায় জঙ্গি কার্যকলাপ বৃদ্ধির ঘটনায় রাজ্যে শাসক দলকেই সরাসরি দায়ি করলেন আধির। তিনি বলেন, ‘বাংলার পুলিশ তৃণমূল বাঁচাতে ব্যস্ত, জঙ্গি নেটওয়ার্ক খোঁজার সময় কই।’
এদিন কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে আলকায়দা জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে মুর্শিদাবাদ থেকে ৬ যুবককে গ্রেফতার হয়। এ প্রসঙ্গে অধীর বলেন, ‘এ ঘটনা যথেস্ট উদ্বেগজনক। আল কায়দার মতো জঙ্গি সংগঠনের শিকর বাকড় যদি বাংলায় গজাতে শুরু করে তা হলে বুঝতে হবে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ।’ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বাংলায় জঙ্গি সংগঠনের বেড়ে ওঠার পেছনে পুলিশ ও গোয়েন্দা ব্যর্থতার দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, ‘বাংলায় পুলিশ তৃণমূলকে বাঁচাতে ব্যস্ত। জঙ্গি নেটওয়ার্ক খোঁজার সময় কই! ন্যূনতম গোয়েন্দা পরিকাঠামো কাজ করলে বাংলায় এ ধরনের কার্যকলাপ চলতে পারত না।’
অধীর এদিন বলেন, ‘রাজনীতি করার জন্য বা এর ঘাড়ে ওর ঘাড়ে দোষ চাপানোর জন্য এ কথাগুলো বলছি না। বাংলায় পুলিশি ব্যর্থতার কথা সাদাকালোয় পরিষ্কার। কয়েক বছর আগে খাগড়াগড়ে একটা বাড়িতে বিস্ফোরণ হওয়ার পর জানা গেছিল যে সেখানে জঙ্গিরা লুকিয়ে ছিল। বড় রাস্তার ধারে পাকা বাড়িতে তারা ছিল। বাজার করে খাওয়া দাওয়া করছিল। অথচ পুলিশ জানতেও পারেনি। বিস্ফোরণ না ঘটলে হয়তো জানতে পারতও না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার আসলে পুলিশ দিয়ে দলের সাংগঠনিক কাজ করায়। কোন বিরোধী নেতাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে হবে, কাকে চমকে তৃণমূলে আনতে হবে এসবই তাদের এখন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
অধীর আরো বলেন, ‘এর আগেও বাংলায় জঙ্গি কার্যকলাপের ঘটনায় মুর্শিদাবাদের নাম উঠে এসেছে। ভারতের অন্যত্র জঙ্গি নাশকতার ঘটনাতেও মুর্শিদাবাদের নাম উঠেছে। যেমন কিছু দিন আগে বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে মুর্শিদাবাদের নাম জড়িয়েছিল। তা ছাড়া এই জেলা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী। বাংলাদেশের জামাত উল মুজাহিদের শাখা প্রশাখা এখানে ছড়িয়ে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এ সব কম চিন্তার নয়।’ পরোক্ষে কেন্দ্রের শাসক দলেরও সমালোচনা করেন আধির। তাঁর কথায়, মেরুকরনের রাজনীতির ফলে এই ধরণের জঙ্গি সংগঠন গরিব নিরীহ মানুষের ওপর থাবা বসাতে সক্ষম হচ্চে।

Related Articles

Back to top button
Close