fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বাংলায় তৃণমূল অস্ত্র ভাণ্ডারের মালিক: অধীর চৌধুরী

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: তৃণমূল অস্ত্র ভাণ্ডারের মালিক। কটাক্ষ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ আধির রঞ্জন চৌধুরি। শনিবার রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন।

অধীর বলেন, ‘আমার কাছে আইন সবই সমান। অস্ত্র নিয়ে যেমন মিছিলে যাওয়া উচিত নয়। কিন্তু এ বাংলায় তৃণমূলের যেকোনো নিচুতলার নেতা যারা চার চাকা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় বাংলা জুড়ে, তাদের গাড়ি সার্চ করলে একটা নয় কয়েকটা করে অস্ত্র পাবেন। বিজেপি পার্টি একটা লাইসেন্স অস্ত্র নিয়ে মিছিলে গেছে। কিন্তু এ বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস অস্ত্র কারখানার মালিক। কি বলবেন? কিন্তু বিজেপি কোন লোক অস্ত্র নিয়ে মিছিলে গেছে বিরাট করে তুলে ধরা হবে। কারণ তারা বিজেপি। কিন্তু এ বাংলায় তৃণমূল অস্ত্র কারখানার মালিক তাদের বিরুদ্ধে কিছু হবেনা। তৃণমূলের বাংলায় এভাবেই বিচার হবে। কিন্তু আইনের কথায় আমি এটাও বলতে পারিনা মিছিলে অস্ত্র নিয়ে ঘুরবে।’

সম্প্রতি হাওড়ায় বিজেপির মিছিলে একটি লাইসেন্স অস্ত্র পাওয়া যায়। যেতিকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন আধির চৌধুরি একথা বলেন।

অন্য দিকে আধির এদিন সাফ জনিয়ে দেন আগামী দিনে বাম ও কংগ্রেসের নেত্রীত্বে এ রাজ্যে ক্ষমতা দখল করা হবে। তিনি বলেন, ‘রাজ্যের তৃতীয় শক্তি বাম কংগ্রেস আগামী দিনে প্রথম শক্তি হয়ে এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে। যতই দিদি মুনি সাম্প্রদায়িক বিভাজন করে বিজেপির সঙ্গে ভোট ভাগাভাগি করুক। মানুষ বাম কংগ্রেসকেই সমর্থন করবে। ইতি মধ্যেই বামেদের সঙ্গে সমঝোতা করে কাজ শুরু করে দিয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন এ রাজ্যে বিজেপিকে জায়গা করে দিচ্ছে তৃণমূল। হিন্দু ও মুসলমান ভোট ভাগাভাগির চেষ্টা চলছে। অথ্চ কয়েক দিন আগে যখন বাম পন্থিরা নবান্ন আভিযান করেছিল তখন রক্তাক্ত করে দিয়েছিল রাজপথ। কিন্তু বিজেপির আন্দোলনে দোল খেলা হল। আসলে বিজেপি কে জায়গা করে দিতে চাইছে।’

পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের ডাকে এদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব সমস্যা, আইন শৃঙ্খলার অবনতি, স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশা ও বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিধান ভবন থেকে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল পর্যন্ত মিছিল করা হয়। মিছিলের নেতৃত্ব দেন – সাংসদ, লোকসভার কংগ্রেস দলনেতা তথা পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এর পরেই মাননীয় রাজ্যপালের কাছে উপরিউক্ত ইস্যুতে একটি ডেপুটেশন জমা দেন প্রদেশ সভাপতির নেত্রীত্বে ১৩ জোনের এক প্রতিনিধি দল।

বৈঠক শেষে অধীর বলেন, এ রাজ্যে প্রতিদিন যেভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে বিদ্যুৎ এর মাশুল বাড়ছে। আর তাতে রাজ্য সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সেজন্য সাধারণ মানুষ দূর্ভোগে পড়েছে। তাই আমরা আজ রাস্তায় নেমে ছিলাম প্রতিবাদ জানাতে। বিষয়টি রাজ্যপালের একটি বছর করা হয়েছে। অন্যদিকে এদিন তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন আগামী দিনে এরাজ্যে কাটমানির সরকারকে সরিয়ে তৃতীয় শক্তি বাম কংগ্রেস প্রথম শক্তি হিসেবে ক্ষমতা দখল করবে।

Related Articles

Back to top button
Close