fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

প্রশাসন নির্ভর সরকার কখনও উন্নয়নের মুখ হতে পারে না: মুকুল রায়

শ্যামলকান্তি বিশ্বাস: উন্নয়নের মুখ কখনও কোনও প্রশাসন নির্ভর সরকার হয়ে উঠতে পারে না। পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ। রাজ্যে এখন গণতন্ত্র বিপন্ন! আইনশৃঙ্খলা তলানিতে ঠেকেছে। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন প্রতিনিয়ত। রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়।

৮ অক্টোবর ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজ্যে যে ধুন্ধুমার কান্ড চলেছে, সেই ঘটনায় হতবাক মুকুল বাবু। রাজ্য সরকারের অসাংবিধানিক বর্বরোচিত ভূমিকার তীব্র নিন্দা সহ রাজ্যের শাসক দলের বেআব্রু চেহারা প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে কথাগুলি বলেন তিনি। মুকুল রায় আরও বলেন, রাজ্যের শাসক তৃণমূলের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পূর্বাভাস গত ৮ অক্টোবরের ঘটনা। গণ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থান, আর নিজেই নিজের দেখানো পথকেই টুঁটি ধরে হত্যা করার জঘন্য প্রয়াসে মেতে উঠেছে? এত দেখছি আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে সামিল! বাংলার মানুষ যথেষ্ট বিচক্ষণ এবং সচেতন, সব বুঝতে পারছেন তারা। আর বিশ্বাস নেই প্রশাসন নির্ভর স্বাভাবিক ভারসাম্যহীন প্রতিবন্ধী সম রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের উপর। মুকুলবাবুর আরও অভিযোগ, বাংলার পুলিশ স্টেশন এখন তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে।

সাংবিধানিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে কি ধরনের আচরণ করতে হয়, তা বাংলার পুলিশ ভুলে গেছে, তা না হলে ঘটনার পর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে, যুব জন মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি সাংসদ তেজস্বী সুর্য, রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে এহেন অভব্য আচরণ পুলিশ প্রশাসন করতে পারে না। এদের পুনরায় প্রশিক্ষণের প্রয়োজন, তা না হলে দলদাসের বেড়াজাল থেকে রাজ্যের পুলিশ বেরিয়ে আসতে পারবে না। বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে আনা হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: কাটমানি আছে, গণতন্ত্র নেই! তৃণমূলকে কটাক্ষ তেজস্বীর… সোনার বাংলা গড়ার ডাক

বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব গ্ৰহণের পর থেকেই মুকুল রায় জনসংযোগ বৃদ্ধি সহ দলীয় কর্মসূচি রূপায়নে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ৮ অক্টোবর ভারতীয় যুব জন মোর্চার নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজ্যে উত্তেজনার বাতাবরণ তৈরি হয় ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনা অনভিপ্রেত। অনেক ক্ষেত্রেই উর্দিধারী পুলিশের আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। এটা গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে অশুভ লক্ষণ, রাজ্যের মানুষের ক্ষেত্রে খুব ই দুশ্চিন্তার। মুকুলবাবু দাবি করেন, তৃণমূলের অনেক নেতা এবং বিধায়ক তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন, খুব শীঘ্রই অনেক কিছু দেখা যাবে।

Related Articles

Back to top button
Close