fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোলাঘাট ব্লক এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচি সারলেন ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিক

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিক মদন মোহন মন্ডল ব্লক পর্যায়ের বেশ কয়েকটি কর্মসূচি শেষ করলেন গত ২৪ ঘন্টায়।

 

সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের ডাকা নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মানুষজনদের প্রতি বার্তা দিলেন করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করার জন্য সবার ঐকান্তিক ইচ্ছা না থাকলে এই মরণ রোগ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো পথ নেই। কোলাঘাট ব্লকের বশিষা গ্রামে স্বামী একাডেমীর উদ্যোগে করা হলো থার্মাল চেকিং।

 

গ্রামের প্রতিটি মানুষজন এই থার্মাল চেকিং করার জন্য উপস্থিত হয় ওই ক্লাব গৃহে। মানুষজনদের উৎসাহী করার জন্য ব্লক আধিকারিক নিজে উপস্থিত থেকে জানালেন প্রশাসনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলি এগিয়ে আসুক এই মরণ করোনা ভাইরাস কে প্রতিরোধ করার জন্য। করোনাভাইরাস এর পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার উদ্যোগ ও লক্ষ্য করা গেল। গাপ্পি নামে এক ধরনের চারাপোনা ডোবা সহ বিভিন্ন পুকুরে ছাড়লেন। এই পনার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মোশা জন্মানোর আগে যে লাভা সৃষ্টি হয় এই মাছ খেয়ে নষ্ট করে দেয়।

ব্লক মৎস্য দপ্তর ও স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিক বৃন্দের পাশাপাশি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তপন ঘোড়া ও সহ-সভাপতি রাজ কুমার কুন্ডু উপস্থিত ছিলেন।
কোলাঘাট ব্লকের আড়িশাণ্ডা গ্রামের এক রেশন ডিলারের নামে অভিযোগ উঠলো ভালো গমের সঙ্গে খারাপ গম মিশানোর। ওই রেশন ডিলারের নাম তুষার কান্তি মাইতি। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন দোকানের শাটার নামিয়ে কাজ করছিল ওই রেশন ডিলার। গ্রামবাসীরা হাতেনাতে ধরে ফেলায় সকাল থেকেই চলে এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ।

 

বিষয়টি কোলাঘাট ব্লক প্রশাসন ও পাঁশকুড়া থানার জানানো হয়। তবে রেশন ডিলার তুষার মাইতি কে ধরা হলে তিনি বলেন গ্রাহকদের গম দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। বেশ কয়েক মাস আগে এই গম এসে পড়ে আছে। পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে কিনা জানিনা। তবে যা ছিল সেটাই দেওয়া হচ্ছে। গ্রামবাসীদের পক্ষে কৃষ্ণেন্দু দাস বলেন ব্লক খাদ্য দপ্তরে এই বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাধারণ মানুষের স্বার্থে মানুষ যাতে ভালো গম পায় বিষয়টি দেখার জন্য।

কোলাঘাট ব্লক এসইউসিআই (সি) দলের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি নিয়ে ব্লক প্রশাসন দপ্তরে ম্মারকলিপি জমা দিল। পাঁচটি দাবির মধ্যে বেশিরভাগই ছিল করোণা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন নারায়ণচন্দ্র নায়েক, মধুসূদন বেরা, শংকর মালাকার প্রমূখ। ব্লকের গ্রামীণ চিকিৎসকদের পিপিইও, করোনা প্রতিরোধক সরঞ্জাম সরবরাহ, সহ চার দফা দাবি নিয়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষা সংগঠন ও প্রগ্রেসিভ মেডিকেল প্রাকটিশনার অ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে পাইকপাড়া বি এম ও এইচ এর নিকট স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন মুজাফফর আলি খান, অর্জুন ঘরোই, দিলীপ মাইতি। দুই আধিকারিকই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন নেতৃত্বদের।

Related Articles

Back to top button
Close