fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

উত্তর পূর্বের ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সুরক্ষা নিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি জয়দীপের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অখন্ড ভারতের সুরক্ষার স্বার্থে কেন্দ্রের কাছে উত্তর পূর্বের আট রাজ্যের সুরক্ষা বাড়ানোর আর্জি জানালেন অল ইন্ডিয়া লিগাল এড ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তথা সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। এই মর্মে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অজিত দোভাল এর কাছে চিঠি লেখেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভারতীয় সেনার ওপর র অতর্কিত আক্রমণের পর থেকেই আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ বাড়াতে শুরু করেছে ভারত। আর তাতেই পরিস্থিতি বেসামাল বুঝে কিছুটা হলেও পিছু হটেছে প্রতিবেশী দেশ চিন। ইতিহাস সাক্ষী চিন যতই ভারতের বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করুক আখেরে ভারতের পেছনে বারেবারেই ছুরি মেরেছে প্রতিবেশী দেশ চীন।

আর সে কারণেই নেপালের মতো ছোট দেশের করিডোর ব্যবহার করে গোপনে চিন ও পাকিস্তানের এজেন্টরা ভারতের আট রাজ্য দিয়ে অনাযাসে ঢুকে দেশের আভ্যন্তরীণ নীরপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে বলে আশংকা দেখা যাচ্ছে। আর তাই জয়দীপ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ওই আট রাজ্যের নিরাপত্তা বাড়াতে বেশি পরিমাণে এয়ার বেস বানানোর আর্জি জানান।

চিঠিতে জয়দীপ বলেন, ‘আপনার প্রতিবেশী দেশ যখন লাদাখ সীমান্তে আগ্রাসন চালাচ্ছে, তখন বিশেষত উত্তর-পূর্ব সীমান্ত অঞ্চলে চীন সীমান্তে আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা আরো জোরদার করা উচিত।

প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ করা যায় যে ভারত-চিন সীমান্তটি আমাদের দেশের দীর্ঘতম সীমান্ত যা আমাদের দেশের আটটি রাজ্য সংলগ্ন এবং উত্তরবঙ্গ, বিশেষত শিলিগুড়ি করিডোর উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তান গোয়েন্দা শাখা, আইএসআইও দেশে আইন শৃঙ্খলাজনিত সমস্যা তৈরি করতে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে আমাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিতে প্রবেশের ষড়যন্ত্র করছে। নেপাল সরকার আমাদের দেশের সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখতে অক্ষম। সেই সঙ্গে চিন ও পাকিস্তান প্রতিবার আমাদের দেশে অশান্তি তৈরি করতে নেপালকে তাদের নিরাপদ করিডোর হিসাবে ব্যবহার করছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের দেশকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সরকারের উত্তর-পূর্ব অংশে আরও বেশি বিমান বন্দর শিবির স্থাপন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। বিশেষত উত্তরবঙ্গ, সিকিম, আসাম এবং অরুণাচল প্রদেশে ছয়টি রাজ্যে। আমি জানি আপনার নেত্রীত্বে কর্মরত আমাদের দেশের গোয়েন্দা শাখা এ কাজে সক্ষম। তাই গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষকে অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা রক্ষার জন্য আমাদের দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আরও সক্রিয় ও সতর্ক হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। আমি আশা করি এবং বিশ্বাস করি যে আপনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

Related Articles

Back to top button
Close