fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

২৫ দিনের লড়াই শেষ, জীবন যুদ্ধে হার মানলেন হাঁদা-ভোঁদা, বাঁটুল দি গ্রেটের স্রষ্টা নারায়ণ দেবনাথ

যুগশঙ্খ,ওয়েবডেস্কঃ জীবনাবসান কিংবদন্তী বর্ষীয়ান কার্টুনিস্ট নারায়ণ দেবনাথ। প্রায় ২৫ দিন টানা লড়াইয়ের পর জীবনের ইতি টানলেন হাঁদা-ভোঁদা, বাঁটুল দি গ্রেটের স্রষ্টা নারায়ণ দেবনাথ। মৃত্যুকালে তাঁর ৯৭ বছর বয়স হয়েছিল। আজ সকালে আচমকা তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির আরও বেশি অবনতি হয়। প্রবলভাবে ওঠানামা করতে থাকে তাঁর রক্তচাপ। চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া কার্যত বন্ধ করে দেন নারায়ণ দেবনাথ। নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও প্রবল কষ্ট হচ্ছিল প্রবীণ কার্টুনিস্টের। মঙ্গলবার মিন্টো পার্কের একটি নার্সিংহোমে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রয়াত হন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এই বর্ষীয়ান কার্টুনিস্ট। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে জীবনাবসান হয় তাঁর। শনিবার রাত থেকে ভেন্টিলেশনে ছিলেন তিনি। আগে বাইপ্যাপ সাপোর্টে ছিলেন শিল্পী, কিন্তু তাতেও শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত কমছিল। কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত ২৪ ডিসেম্বর বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার জেরে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। বর্ষীয়ান শিল্পীর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়িয়েছিল রাজ্য সরকার। তাঁর চিকিৎসার জন্য মাল্টিডিসিপ্লিনারি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। দিন কয়েক আগে মিন্টো পার্ক লাগোয়া এই বেসরকারি হাসপাতালের বেডেই তাঁর হাতে কেন্দ্র সরকারের তরফে দেওয়া ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান তুলে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়, স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকা।

ছোটদের কাছে এখনও তাঁর সৃষ্টি ‘হাঁদা ভোঁদা’, ‘বাঁটুল দি গ্রেট’, ‘নন্টে ফন্টে’, ‘বাহাদুর বেড়াল’, ‘ডানপিটে খাঁদু আর তার কেমিক্যাল দাদু’র জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। ২০১৩ সালে সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার পান নারায়ণ দেবনাথ। আর ২০২১ সালে পান পদ্মশ্রী, যে পুরস্কার দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত ১৩ই জানুয়ারি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সাহিত্যমহল

Related Articles

Back to top button
Close