পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ধর্ষণের পর আত্মহত্যার প্ররোচনা! অভিযুক্তের ফাঁসির দাবী ধর্ষিতার বাবার 

নিলয় দাস, জলপাইগুড়ি: বাড়িতে একা থাকার সুযোগে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। লজ্জায় কিশোরী আত্মহত্যার চেষ্টা করে। অসুস্থ অবস্থায় মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। নির্যাতিতার বাবা মালবাজার থানার বাবলু রহামান নামের এক যুবক টোটো চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর শনিবার নির্যাতিতার বাবা অভিযুক্তের ফাঁসির দাবী করে। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির মাল ব্লকের তেশিমলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ঠিকাদার পাড়ায়। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকালে নিজের বাড়ির মধ্যে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে মালবাজার হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

(আরও পড়ুন- ‘বিধানসভা ভাঙচুরে যুক্ত ছিলেন না, এই ভিডিয়োতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি কে’, মমতাকে কটাক্ষ সুজনের)

শনিবার নির্যাতিতার বাবা সরিফুল রহামান সাংবাদিকদের জানান, আমি কাঠমিস্ত্রীর কাজ করি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পাশের বাড়িতে কাজ করছিলাম। আমার স্ত্রী ডাক্তার দেখাতে মালে যায়। বাড়িতে আমার মেয়ে একা ছিল। দুপুর ১টা নাগাদ বাড়িতে এসে দেখি বাবলু রহামান জোর করে মেয়েকে শালীনতাহানী  করছে।

আমাকে দেখেই বাবলু আমাকে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়। মেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে ও মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে। এরপর দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি দুফুরে বাড়ির মধ্যে গলায় ফাঁস দেয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত বলে জানায়। আমার মেয়ের মৃত্যুর জন্য বাবলু দায়ী। ওর যেন কঠিন শান্তি হয়। আমি ওর ফাঁসির সাজা দাবি করছি।

Related Articles

Back to top button
Close