fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফরাক্কার কুলিদিয়ার গ্রামের পর এবার ভাঙন সামশেরগঞ্জের ধানঘড়ায়

কৌশিক অধিকারী, জঙ্গিপুর: ফের ভাঙনের কবলে মুর্শিদাবাদ জেলা। ভাঙন যেন পিছু ছাড়ে না মুর্শিদাবাদ জেলার গঙ্গা তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কার গঙ্গা ভাঙনের পর এবার সামশেরগঞ্জ ব্লক।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সামশেরগঞ্জে ধানঘড়ায় ফের গঙ্গা ভাঙনে তলিয়ে গেল চাষের জমি আম লিচুর বাগান বসতভিটা। ভাঙনের আতঙ্কে নিজেদের বাড়ি ঘর ভেঙে নিচ্ছে এলাকাবাসী।

বেশ কয়েক দিন ধরেই ভাঙনের মুখে কুলিদিয়ার গ্রামের বাসিন্দারা। বেশ কিছু দিন ধরেই ফরাক্কা হোসেনপুর ভাঙন চলছে গত এক সপ্তাহ ধরে, হোসেনপুর কুলিদিয়ার গ্রাম ভাঙনের জেরে তলিয়ে যায়। বুধবার ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন বিজেপির সাংসদ সহ চার সদস্যের এক প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সামশেরগঞ্জ ব্লকের ধানঘরা গ্রামে ভয়াবহ আকার ধারণ করে গঙ্গা ভাঙন বিঘার পর বিঘা চাষের জমি আম, লিচুর বাগান বসতভিটা তলিয়ে যাচ্ছে চোখের সামনে। ভাঙনের কবলে প্রায় ১০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত। প্রায় ১০ টি বাড়ি গঙ্গা গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে, যার জেরে ঘর বাড়ি ভেঙে নিচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। পাশাপাশি একটি প্রাচীন মন্দির গঙ্গা গর্ভে তলিয়ে যাওয়া আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের ভেঙে পড়লো কুড়ি ফুট বিদ্যাধরী নদীর বাঁধ, প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা

এলাকার বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাতটা পর থেকে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। প্রায় ১০টি ঘর ভেঙে গেছে, গঙ্গার জল বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এই সমস্যা। গঙ্গার জলস্তর না কমলে ভাঙনের গ্রাসে চলে যাবে সমগ্র গ্রাম। আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা ঘর ভেঙে দিচ্ছেন এবং জিনিস পত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভাঙনের জেরে বাড়ি সহ একটি প্রাচীন মন্দির তলিয়ে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। ভিটেহারা সাধারণ মানুষ এখন পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি রেখেছেন। খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় পরিবারের সদস্যরা।

অন্যদিকে ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন সামশেরগঞ্জ বিধায়ক আমিরুল ইসলাম। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যে সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান তিনি। কবে এলাকার বাসিন্দারা এই ভাঙন থেকে মুক্তি পাবে তার দিকে তাকিয়ে আছেন ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

Related Articles

Back to top button
Close