fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দিনহাটার দুইটি পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধনের পরেই জোর ব্যস্ততায় ক্লাবের উদ্যোক্তরা

জেলা প্রতিনিধি, দিনহাটা: পুজোর কয়েকদিন আগেই দিনহাটার দুইটি পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধনের পর থেকেই জোর ব্যস্ততা শুরু হয়েছে পুজো উদ্যোক্তাদের। দিনহাটার এই দুই পুজো হল দিনহাটা থানাপাড়া সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটি ও শহিদ কর্ণার দুর্গাপুজো কমিটি। দিনহাটার এই দুই পুজো কমিটির পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধনের পর স্বাস্থ্যবিধি ও সহকারি বিধিনিষেধ মেনে পুজোর দিন গুলি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পুজো উদ্যোক্তাদের কাঁধে এখন বাড়তি দায়িত্ব। দিনরাত দুই পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা পুজোর কয়েক দিন দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে সবরকম নিয়মকানুন মেনে পুজো ও প্রতিমা দর্শন করতে পারে কার জন্য নানাভাবে চেষ্টা শুরু করেছে।

মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করায় তাদের এই দুই পুজো বাড়তি পাওনা বলেই উদ্যোক্তারা জানান। খোলামেলা পুজোমণ্ডপ হলেও দর্শনার্থীদের ভিড় কিছুটা হলেও বেশি হবে বলেও দুই পুজোর উদ্যোক্তাদের দাবি।

থানাপাড়া পুজো কমিটির এবছর পুজো ৫৮তম বর্ষ। অন্যদিকে শহিদ কর্ণারের দুর্গাপুজো ৫৭ তম বর্ষ। গত কয়েক বছর ধরে বিগ বাজেটের পুজো করে আসছিল উদ্যোক্তারা। এবছর করোনা আবহে বিগ বাজেটের পুজো করা প্রথমদিকে নিশ্চিত থাকলেও কঠিন এই সময়ে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে খোলামেলা প্যান্ডেলে পুজোর আয়োজন করেছে উদ্যোক্তারা। প্রতিবছর পুজোর কয়েকদিন ভিড় সামলাতে পুলিশ প্রশাসন ও এনসিসি ভলেন্টিয়ার্সদের পাশাপাশি পুজো কমিটির পক্ষ থেকেও সদস্যরা ভিড় সামলান। এবছর দুই পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধনের পর পুজোর কয়েকদিন পুজো মণ্ডপ প্রাঙ্গণে কোনরকম ভাবে যাতে সরকারি বিধিনিষেধ বিঘ্নিত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে উদ্যোক্তারা জোর প্রস্তুতি নিয়েছে।

দিনহাটা থানাপাড়া দুর্গাপুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক অলোক ঘোষ, সাবির সাহা চৌধুরী বলেন, “গতবছর ক্লাবের অধিকাংশ সদস্যই সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পুজো মণ্ডপে ভিড় এড়াতে দর্শনার্থীদের প্রতিমা দেখতে সাহায্য করেন। কিন্তু এ বছর মুখ্যমন্ত্রী তাদের পুজোর উদ্বোধন করায় তাদের দায়িত্ব অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী বারেবারে ঘোষণা করেছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুজো মণ্ডপে আসতে হবে। তাই তারা ক্লাবের সকল সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে বিশেষ টিম গঠন করেছেন। তারাই পুজো মণ্ডপ ও আশপাশ এলাকায় দেখভাল করবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা থেকে শুরু করে যারা মাস্ক নিয়ে আসবেন না তাদের হাতে মাস্ক তুলে দেওয়া ছাড়াও থাকছে হাত স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা।”

আরও পড়ুন: এক্সপ্রেস ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি ঝাড়গ্রামের বাসিন্দারা

শহিদ কর্ণার দুর্গাপুজো কমিটির অনিরুদ্ধ সেনগুপ্ত, আনন্দ কর্মকার, দিলীপ রায় প্রমুখ বলেন, “প্রতিবছর পুজোয় ভিড় সামলাতে প্রশাসনকে তারা সহযোগিতা করে থাকেন। ক্লাবের ২৫-৩০ জন সদস্য ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে পুজো মণ্ডপের সামনে।

এবছর মুখ্যমন্ত্রী পুজো মণ্ডপে ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছেন। তাই তাদের দায়িত্ব আরও অনেক বেশি। ক্লাবের মহিলা ও পুরুষ সকল সদস্যরা দর্শনার্থীদের সহযোগিতা করবেন।বিধিনিষেধ মেনে দর্শনার্থীরা যাতে পুজো দেখতে পারে তার জন্য তারা চেষ্টা করবেন।

Related Articles

Back to top button
Close