fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিভিন্ন প্রকল্পের কাটমানি নেওয়ার গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে

জয়দেব অধিকারী, মেখলিগঞ্জঃ সবে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ, মেখলিগঞ্জের ভোটবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রবাদ বাক্যটিই একটু পরিবর্তন করতে হচ্ছে। পরিবর্তন করে সেটি হচ্ছে সবে মিলে করি চুরি হারি জিতি নাহি লাজ।

 

 

রাজ্য জুড়ে একে অপরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে হলেও কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের ভোটবাড়িতে তৃণমূল, কংগ্রেস ও বিজেপি-র পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে স্থানীয় কিছু মানুষ এমনই অভিযোগ তুললো।মেখলিগঞ্জ ব্লকের ভোটবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০ জন পঞ্চায়েত সদস্য।এর মধ্যে ৫ জন তৃণমূল, ৩ জন বিজেপি ও ২ জন কংগ্রেসের। প্রধান হয় কংগ্রেসের এবং উপপ্রধান তৃণমূলের। সবার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠলো বিভিন্ন প্রকল্পের কাটমানি নেওয়ার। ভোটবাড়ির স্থানীয় কিছু মানুষ নাগরিক মঞ্চ তৈরি করে মঙ্গলবার বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতিকে একটি স্বারকলিপি দেয়। তাতে কুয়োর পাড় পাঁকা কড়ার প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তোলে নাগরিক মঞ্চে সদস্যরা। পাশাপাশি তারা নিজেরাই যে সমস্ত উপভোক্তার কাছে টাকা নিয়েছে দাবি করে তাদের সকলের ভিডিও বক্তব্য লিপিবদ্ধ করে পেন ড্রাইভে ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অফিসে জমা দেন।

 

এ নিয়ে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙে যোগাযোগ না হলেও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিয়তি সরকার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে ভোটবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মৃত্যুঞ্জয় সরকার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন যে প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে তা বন্ধ রয়েছে।উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে কালিমালিপ্ত করার জন্য একদল করে কাজ করছেন। পাশাপাশি গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যরা জানিয়েছেন মানুষদের ভূল বুঝিয়েছে ভিডিও তৈরি করে আমাদের নামে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যাদের ভিডিও তৈরি করেছে তাদের মিথ্যা কথা বলে ফুসলিয়ে ভিডিও করা হয়েছে। শুধু তাই নয় পঞ্চায়েত সদস্যরা কয়েকটি পাল্টা ভিডিও দিয়ে দাবি করেন যারা অভিযোগ জানিয়েছে তারা সাধারণ মানুষকে বলেছে টাকা নেওয়ার কথা না বললে টাকা ঢুকবে না।অন্যদিকে পাল্টা ভিডিও তে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

Related Articles

Back to top button
Close