fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

কৃষক সংগঠনগুলির সঙ্গে আলোচনায় রাজি কৃষি মন্ত্রক, আজ দুপুরে বৈঠক

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  শেষ পর্যন্ত কৃষক সংগঠনের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হল কৃষিমন্ত্রক। কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর মঙ্গলবার সকালে কৃষক সংগঠনের নেতাদের কাছে যান। নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আজ দুপুর তিনটে নাগাদ দুই পক্ষের আলোচনা হবে।গত কয়েকদিন ধরেই দিল্লি চলো ডাক দিয়ে রাতপথে নেমে পড়েছে কৃষক সমাজ। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছে দেশের বিভিন্ন কৃষক সংগঠন। এই গৃহীত কৃষি আইনের বিরোধিতায় দিল্লির নিলানকারি মাঠে রীতিমতো ক্যাম্প তৈরি করে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন হাজারো কৃষক। আজ আরও অনেক কৃষক পায়ে হেঁটে দিল্লি সীমান্তে পৌঁছাবেন।

হরিয়ানা, পাঞ্জাবের কৃষকদের সঙ্গে এবার অন্য রাজ্যের কৃষক সংগঠনগুলিও যোগ দিচ্ছে। ফলে আন্দোলন বড় আকার নেওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। শুরু থেকেই কৃষক সংগঠনগুলি সরকারের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব দিয়ে এসেছে। সরকারের তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনে পথে নেমেছেন কয়েক লাখ কৃষক।দিল্লিতে প্রবেশের পাঁচটি পয়েন্ট বন্দ করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু কৃষকরা দিল্লি অভিমুখে আসছেন তাই ইতিমধ্যে রাজধানীতে প্রবেশের দুটি পয়েন্ট পুলিশ বন্ধ করে দিয়েছে। বাকি দুটিতেও কড়াকড়ি বলবত্‍ হয়েছে। এখানে কৃষক আন্দোলনের সর্বশেষ খবর।  সম্প্রতি গৃহীত কৃষি আইন নিয়ে কৃষক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আজ বিকেল তিনটেয় বৈঠকে বসতে চলেছেন কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর।

নরেন্দ্র সিং তোমর বলেছেন, আমরা ৩ ডিসেম্বর বৈঠকে বসব এমনটাই পূর্বনির্ধারিত। কিন্তু কৃষকরা আন্দোলনের মুডে রয়েছে। বাইরে একে ঠান্ডা তায় করোনাভাইরাস। তারপরেও বিজ্ঞান ভবনে মঙ্গলবার বিকেল তিনটের সময় কৃষক সংগঠনের নেতাদের আলোচনায় ডেকেছি। আমাদের অনুরোধ আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসুন। এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সন্ধান করা হোক।

আরও পড়ুন: চিনকে শায়েস্তা করতে এবার প্যাংগন লেকের সামনে Marcos Commandos মোতায়েন করল ভারত

সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরিস্থিতির খোঁজ-খবর রাখছেন নিয়মিত। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের থেকে আপডেট নিচ্ছেন। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার তরফে বলা হয়েছে, ”আমরা কৃষি মন্ত্রকের তরফে একটি চিঠি পেয়েছি। সেখানে আমাদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আজ সকাল আটটা নাগাদ কৃষি মন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের প্রাথমিক বৈঠক হয়েছিল।” এদিকে পাঞ্জাব কিষাণ সংঘর্ষ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক এস সাভরান বলেছেন, ”সারা দেশে ৫০০-র বেশি কৃষক সংগঠন রয়েছে। কিন্তু সরকার মাত্র ৩২টি সংগঠনকে বৈঠকে ডেকেছে। সব কটি সংগঠনকে বৈঠকে আমন্ত্রণ না জানালে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসব না।”

দিল্লির সীমান্তে এই মুহূর্তে হাজার হাজার কৃষক প্রতিবাদ করছেন। কিভাবে সমস্যার নিরসন হবে, তার জন্য দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র তোমার ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মধ্যে। তারপরই ঠিক হবে এগিয়ে আনা হবে বৈঠকের তারিখ। আজ ৩টের সময় বিজ্ঞান ভবনে হবে আলোচনা। সেখানে চাষীদের ফের বোঝানোর চেষ্টা করা হবে। থাকবেন নীতি আয়োগের অর্থনীতিবিদরা। কৃষকদের দাবি অবশ্য খুব স্পষ্ট। তাঁরা চান যে নয়া যে তিন কৃষি আইন এসেছে, সেগুলিকে প্রত্যাহার করুক কেন্দ্র ও ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

Related Articles

Back to top button
Close