fbpx
দেশহেডলাইন

পাখির চোখ যোগী রাজ্য! এবার লখনউতে ঘাঁটি গাড়ছেন প্রিয়াঙ্কা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: টার্গেট যোগী! দিল্লির বাংলো খালি করেই লখনউতে ঘাঁটি গাড়তে চলেছেন প্রিয়াঙ্কা। সরকারি বাংলো থেকে উচ্ছেদের হতে চলেছে রাজীব তনয়া।দিল্লির সরকারি বাংলো খালি করার নির্দেশিকা আসার পরই বড়সড় সিদ্ধান্ত নিলেন কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। এবার দিল্লির পরিবর্তে নিজের স্থায়ী বাসস্থান তিনি সরিয়ে নিয়ে যাবেন লখনউতে। প্রিয়াঙ্কা উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে আছেন। ২০২২ বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে দলের সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন। সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যেই এবার সরাসরি লখনউতে আস্তানা করতে চলেছেন কংগ্রেস নেত্রী।

কংগ্রেসের অভিযোগ, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। গান্ধী পরিবারের প্রতি ঘৃণা থেকেই এই ‘অপমানজনক’ পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা এখান থেকেই নতুন লড়াইয়ের সূচনা করতে চান। তিনি ঠিক করে ফেলেছেন, আর দিল্লি নয়। যদি সরকারি বাংলো খালি করতেই হয়, তাহলে তিনি ঘাঁটি গাড়বেন লখনউতে। যাতে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া যায়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে একেবারে মাঠে নেমে আন্দোলন করা যায়। সূত্রের খবর, আর সপ্তাহ দু’য়েকের মধ্যেই লখনউয়ের ‘কৌল হাউস’-এ বসবাস শুরু করবেন কংগ্রেস নেত্রী। প্রিয়াঙ্কা উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয়। একের পর এক ইস্যুতে কেন্দ্র ও উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে বিঁধছেন তিনি। শোনভদ্রে বাঁধলে সেই চাপ আরও খানিকটা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিরোধী শিবিরকে চাপে ফেলার জন্যই এমন ঘৃণ্য রাজনীতিতে পা দিয়েছে বিজেপি। বুধবার কংগ্রেসের তরফ থেকে এমনটাই মন্তব্য করলেন মুখপাত্র রনদীপ সুরজেওয়ালা। তাঁর মতে, কংগ্রেস এভাবে দমাতে পারবে না বিজেপি। গোটা দেশ বুঝে গিয়েছে বিরোধীদের ওপর তীব্র ঘৃ্ণা ও প্রতিশোধের রাজনীতি চালাচ্ছে মোদি সরকার। যদিও আগে থেকেওই মোদি-শাহেদের দল এরম রাজনীতিই করত। কিন্তু এবার সেটা আরও চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই নোটিশ বুঝিয়ে দিচ্ছে বিজেপি বিরোধীদের ভয় পাচ্ছে। তবে এভাবে আমাদের থামানো যাবে না।

আরও পড়ুন: এবার বেসরকারি হাতে প্যাসেঞ্জার ট্রেন! টেন্ডার ডাকছে রেল

উল্লেখ্য, ঠাকুমা এবং বাবা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মা টানা দশ বছর কেন্দ্রের শাসক জোটের সভানেত্রী ছিলেন। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন তিনি একটি ক্ষয়িষ্ণু রাজনৈতিক দলের নেত্রী মাত্র। জনপ্রতিনিধিও নন। এসপিজি নিরাপত্তাও নেই। তাই নিয়মের গেরোয় পড়ে ১ আগস্টের মধ্যেই খালি করে দিতে হবে দিল্লির সরকারি বাংলো, নির্দেশ দিয়েছে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক। এই নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এই প্রসঙ্গে কংগ্রেসের তরফ থেকে জানানো হয়, লাদাখ সীমান্তে চিনের আগ্রাসন নিয়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগার ফল হাতেনাতে পেলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। যদিও বিজেপি আবার সেই অভিযোগ মানতে চাননি। তাঁদের যুক্তি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য হিসেবে এতদিন স্পেশ্যাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) নিরাপত্তা পাওয়ার কারণেই সরকারি বাংলো পেতেন সোনিয়া তনয়া। যেহেতু এখন আর এসপিজি নিরাপত্তা পান না তাই সরকারি বাংলো পাওয়ার যোগ্যতা নেই।

Related Articles

Back to top button
Close