fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

Air India crash: অসামঞ্জস্য উচ্চতা, ল্যান্ডিংয়ে অস্বাভাবিক গতি, নাকি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস? উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্কঃ দুর্ঘটনার পর উঠে আসছে একাধিক তত্ত্ব। জ্বালানি থাকা সত্ত্বেও কেন অন্য বিমানবন্দরে উড়ে গেলেন না পাইলট দীপক শেঠি। বায়ুসেনার এই প্রাক্তন পাইলট কি কোথাও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভুগছিলেন? নাকি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগের মাঝে থেকে গিয়েছিল কোনও ফাঁক? তার জেরেই ঘটে গেল কোঝিকোড়ের এই বিমান দুর্ঘটনা?

শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও কোঝিকোড় বিমানবন্দরে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের পাইলট দীপক বসন্ত শাঠে ও কো পাইলট অখিলেশ কুমার। সূত্রের খবর, দু’বার বিমান অবতরণের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়ে যায়। শেষ মেশ তিন বারের চেষ্টায় বিমান অবতরণ করানো হয়। আর তখনই  ঘটে যায় ভয়াবহ দূর্ঘটনা। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক সূত্রে খবর, অন্য বিমানবন্দরে গিয়ে এমারজেন্সি ল্যান্ডিং করানোর মতো জ্বালানি ওই বিমানে রাখা ছিল। তাহলে কেন পাইলট অন্য বিমান বন্দরে উড়ে গেলেন না?

জানা গিয়েছে,  এর আগে দীপক শাঠে  কোঝিকোড়ে ২৭ বার বিমান নামিয়েছেন। তার কাছে দৃশ্যমান্যতা ছিল ২০০০ মিটারের কাছাকাছি। ফলে তিনি বুঝেছিলেন বিমান নামাতে অসুবিধা হবে না। যদিও বিপদজনক টেবল টপ বিমানবন্দরে মেঙ্গালুরুর স্মৃতি উস্কে দিয়ে ফের সেই দূর্ঘটনা ঘটে গেল। সূত্রের খবর, বিমান যখন অবতরণ করে তখন তার গতি ছিল ১৯১ নট বা ৩৫৪ কিলোমিটার  প্রতি ঘণ্টায়৷

বস্তুত, ২২০ থেকে ২৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় বিমান অবতরণ করানো হয়। এক্ষেত্রে বিমানের যেখানে অবতরণ করার কথা ছিল, সেখান থেকে হয়তো আরও এগিয়ে গিয়েছিল বলে জানা যায়। ফলে রানওয়ের যতটুকু অংশ তার পাওয়ার কথা ছিল সেটা অনেকটাই কমে যায়। ফলে বিমান খাদে গিয়ে পড়ে।

দূর্ঘটনার আগে ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে পাইলটের কি কথা হয়েছিল, সেই ভয়েস রেকর্ডও খতিয়ে দেখবেন ডিজিসিএর তদন্তকারী দল।

Related Articles

Back to top button
Close