কলকাতাহেডলাইন

ঐশীর সভা ঘিরে বিতর্ক, বহিরাগত নিয়ে সরব এবিভিপি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:   সিএএ-এনআরসি-র বিরোধিতায় বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকে সভা ও মিছিল কর্মসূচি। নেতৃত্বে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঘোষ।শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ে জেএনইউ-এর ছাত্র সংগঠনের নেত্রী ঘোষের সভা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভিতরে বহিরাগত কাউকে এনে এই সভা করার ব্যাপারে জোরালো আপত্তি জানিয়েছে । প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-নির্বাচনের মুখে এই সভার একটি বিশেষ গুরুত্ব আছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। তিন বছর বাদে যাদবপুরের ছাত্র নির্বাচন হচ্ছে। দিন ধার্য হয়েছে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি। এবার এখানকার ভোটে প্রথম প্রার্থী দিয়েছে । বেশ কিছুদিন ধরেই সেখানে কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলন চলছে। মূলত বামপন্থী পড়ুয়াদের চাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান থেকে ফিরে আসতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানের আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে।

শুক্রবার যাদবপুরের পড়ুয়ারা ঐশীকে নিয়ে সমাবেশের ডাক দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের এবিভিপি-র শাখা-সম্পাদক সুমন চন্দ্র দাস বলেন, “ওরা বাম-পড়ুয়া গত ১৭ই প্রতিষ্ঠানে যে সমাবেশের ডাক দিয়েছিল, তার পর ছাত্রভোট ঘোষণা হয়। কিন্তু ভোট ঘোষণার পর বহিরাগতদের এনে এভাবে প্রতিষ্ঠানে প্রচার চালানো যায় না। আমরা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে সেটা জানিয়েছি।”

আরও পড়ুন: বন্ধু কেজরিকে দেখে মমতার শেখা উচিত শিক্ষকদের প্রাপ্য দিন দিলীপ ঘোষ

উল্লেখ্য, এর আগে ১৭ জানুয়ারি যাদবপুরে এসএফআইয়ের ডাকে এক সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন জাতীয় স্তরের বেশ কিছু পরিচিত মুখ। গত ১৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর এসএফআইয়ের ডাকা সমাবেশে আমন্ত্রিত ছিলেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রভাত পট্টনায়েক, প্রেসিডেন্সি ছাত্র সংসদের সভাপতি মিমোসা ঘরুই, হায়দরাবাদ সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি এবং আলিগড় মুস্লিম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শীর্ষনেতা যথাক্রমে অভিষেক কুমার ও ইস্তাক আহমেদ প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার কলেজ স্ট্রিটে তিনি বামেদের ডাকা এক মিছিলের পুরোভাগে ছিলেন। এনআরসি-সহ বিভিন্ন ‘কালা কানুন’ এনে ধর্মের নামে মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বামপন্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, ভারতীয় সংবিধানের উপর নির্মম অত্যাচার চালানো হচ্ছে।  কলকাতায় এসে বিজেপি এবং আরএসএস-কে এভাবেই এক হাত নিয়েছেন ঐশী ঘোষ।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close