fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বর্ষায় পায়েল স্নেহাশিসের মন দেওয়া নেওয়ায় আশায় বুক বাঁধছে আলিপুর চিড়িয়াখানা

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: আলিপুর চিড়িয়াখানায় বছর সাতেক হল বাঘেদের সংসারে নতুন কোন অতিথি আসেনি। বাগানের ‘ বুড়ো’ বরদের নাকি মনে ধরেনি কমবয়েসী ‘ কনেদের’। শেষমেষ ২০১৮র শেষের দিকে’ সৎপাত্র’ স্নেহাশিসকে উত্তরবঙ্গের সাফারি পার্ক থেকে নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার আলিপুর চিড়িয়াখানার অধিকর্তা আশিসকুমার সামন্তের কাছে জানা গেল, রয়্যালবেঙ্গল স্নেহাশিস ও বাঘিনী পায়েলের নাকি ‘ মন দেওয়া নেওয়া’ চলছে। ভালো খবরের আশায় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

আশিসবাবুর কাছেই জানা গেল, স্নেহাশিসের ট্র্যাক রেকর্ড’ বেশ ভাল। ২০১৬ য় স্নেহাশিস ও বাঘিনী শীলাকে ওড়িশার নন্দনকানন থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছিল। এখান থেকে তাদের উত্তরবঙ্গের সাফারি পার্কে পাঠানো হয়। সেখানে স্নেহাশিস আর শীলার মিলনের ফলে তিনটি বাঘের ছানা জন্মেছে। ফলে আলিপুরে বাঘের সংসার বাড়াতে স্নেহাশিসকেই বাজি ধরেছেন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। আলিপুরে আসার পর বছর খানেকের বেশি কেটে গিয়েছে স্নেহাশিসের। চিড়িয়াখানার অধিকর্তা জানালেন, এই মুহূর্তে বাগানে তিনটি বাঘিনী রয়েছে রূপা,রানী ও পায়েল। রূপা ও রানী দুজনেই বয়স ১০ বছর, পায়েল ৬ বছরের।এদের মধ্যে রূপা সাদা বাঘিনী। পুরুষ বাঘের মধ্যে ঋষি ও রাজা সাদা বাঘ। অন‌্যটি রয়্যাল বেঙ্গল, তাকে সুন্দরবনের কুলতলির গ্রাম থেকে ধরে আনা হয়।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু রোধে ব্যক্তিগত পুকুর মালিক ও নির্মাণ সংস্থাদের চিঠি দিচ্ছে পুরসভা

মোটামুটি সমবয়স্ক স্নেহাশিসের সঙ্গে পায়েলের ইদানিং খুনসুটি, মন দেওয়া নেওয়ার পালা চলছে। কর্তৃপক্ষ আশায় বুক বাঁধছেন ভালো খবরের জন্য। লকডাউনের ফলে চিড়িয়াখানায় দর্শক আসা বন্ধ। নিরিবিলি পরিবেশে দুজন দুজনের কাছাকাছি আসছে, মনের কথা কইছে। অবশ্য আষাঢ়ের প্রথম দিবসে তারা একে অন্যকে কদম ফুল দেয়নি বলেই খবর। বাঘেদের সমাজে এমন ‘ রোমান্সের’ নাকি চল নেই।

Related Articles

Back to top button
Close