fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সবকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি করে কোয়ারেন্টিন সেন্টার খুলতে উদ্যোগী আলিপুরদুয়ার

আলিপুরদুয়ার:  আলিপুরদুয়ার জেলার ৬৬টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিটিতে, একটি করে অস্থায়ীভাবে ৬৬টি নতুন সরকারি কোয়ারেন্টিন সেন্টার গড়ে তোলার উদ্যোগ নিল জেলা পরিষদ। যত দ্রুত সম্ভব কাজটি সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে জেলাপরিষদ। সভাধিপতি শিলা দাস সরকার জানান,“জেলার ৬টি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি,প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। প্রধানদের সকলকেই বিষয়টি সম্পর্কে ইতিমধ্যেই অবগত করা হয়েছে। আমরা চাইছি বাইরে আটকে পরা মানুষরা জেলার যেখানে যার বাড়ি তার যতটা সম্ভব কাছের কোয়ারেন্টিনে থাকুক।এতে বাইরে থেকে আসা মানুষের পরিবার অনেকটা নিশ্চিত থাকতে পারবে।”

তৃণমূল কংগ্রেসের কালচিনি ব্লক সভাপতি অসীম মজুমদার বলেন,“প্রাথমিকভাবে আমরা যে খবর নিয়েছি তাতে জানতে পেরেছি কালচিনি ব্লকে অন্তত ১৪০০জন আসবে ভিনরাজ্য থেকে। ব্লকে আপাতত ৩টে কোয়ারেন্টিন সেন্টার রয়েছে।এছাড়াও প্রায় সিংহভাগ চা-বাগানেই ছোট ছোট নিজস্ব সেন্টার রয়েছে। সবটা যথেষ্ট নয়। স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের আগামীর কথা চিন্তা করে নতুন কোয়ারেন্টিনের কথা ভাবতে হচ্ছে।ইতিমধ্যেই আমরা ব্লক বিডিওকে একটা রিপোর্ট দিয়েছি।”

আরও পড়ুন: আড়াল থেকে আকাশবাণী কেন? অভিষেককে কটাক্ষ দিলীপের

উল্লেখ্য, জেলার চা-বলয়ের অন্যতম কুমারগ্রাম ও মাদারিহাট-বীরপাড়া ব্লকেও অন্তত ২০০০জন মানুষের আসার কথা। এদিকে ৬৬টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যেই নতুন করে সেন্টার খুলতে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন ফাঁকা সরকারি ভবনগুলিকেই আগে চিহ্নিত করা হবে বলে জানা গেছে। আপাতত তেমন কটি ভবন পাওয়া যাবে তাতে কত মানুষ থাকতে পারবে, যে গ্রাম পঞ্চায়েতে সম্ভব নয় ঠিক তার পাসের গ্রামের সঙ্গে মিলিয়ে একটি সেন্টার করা যায় কিনা তাও দেখা হচ্ছে। শিলা দাস সরকার জানান,“স্থান খুঁজে পেতে আমাদের সমস্যা হবেনা।জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই কাজ করছি আমরা।” আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের মেন্টর মোহন শর্মা বলেন,“যারা ফিরে আসছেন তারা কেউ বহিরাগত নয়। সকলেই আমাদের জেলার।একজনেরও কোন সমস্যা হবেনা।তা নিশ্চিত করবো আমরা।”

Related Articles

Back to top button
Close